প্রথম দিকে বিনামূল্যে এই টার্কি দেওয়া হয়েছিল এলাকার চাষিদের। সেখান থেকে ভাল লাভ দেখে এই টার্কি পালনের দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই। এই মুরগি পালনের জন্য পরিবারের সকলেই হাত লাগাচ্ছেন। টার্কি সাধারণত মাংস ও ডিমের জন্য পালন করা হয়।
আরও পড়ুনঃ দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান! বেলদা-নারায়ণগড়ে আধুনিক দমকল কেন্দ্রের কাজ শুরু, রাজ্যের বরাদ্দ প্রায় ৪ কোটি
advertisement
প্রথম দিকে এই পাখিটি খুব একটা পরিচিত না হলেও পরে এই টার্কি অনেক পরিচিতি পেয়েছে। সব থেকে বড় বিষয় হল টার্কি লম্বায় ৩.৩ থেকে ৪.১ ফুট হয়। টার্কি ৩০ সপ্তাহ (প্রায় সাড়ে সাত মাস) বয়স থেকে ডিম পাড়া শুরু করে। এদের ডিমের গড় ওজন হয় ৮৫ গ্রাম। ডিম ফুটে একটি বাচ্চার ওজন প্রায় ৫০ গ্রাম হয়ে থাকে। এরা বছরে ৮০ থেকে ১০০টি পর্যন্ত ডিম পাড়ে। এদের ডিম চেনার সহজ উপায় হল বিভিন্ন রঙের ছোপ দেখা যায়।
আরও পড়ুনঃ সকালে হাটে যাওয়ার পথে গাড়ির টায়ার ফেটে বিপত্তি! খড়গপুরে উল্টে গেল ছোটা হাতি, জখম ১২ জন যাত্রী
টার্কি খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এই পাখিটি খুব সহজে বাড়ির উঠোনে পালন করা যায়। যা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য খুবই লাভজনক। টার্কির ডিমের ওজন মুরগির ডিমের চেয়ে ১.৩ গুণ বেশি। তাই বাজার মূল্য অনেক বেশি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সুন্দরবন এলাকায় এই টার্কি পালন করার জন্য দিনের বেলায় একটি মুক্ত জায়গায় জাল দিয়ে ঘেরা ঘর করা হচ্ছে। যাতে রৌদ্র পাওয়া যায় এবং সন্ধ্যার পর একটি ঘরে তোলা হয়। এই মুরগি পালন করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।





