TRENDING:

Tusu Festival: ডিজের যুগেও মাটির গানের টান, রাইপুরের এই মেলা যেন ইতিহাসের দলিল! টুসুর লড়াইয়ে চমকে দেওয়া ছবি

Last Updated:

Bankura Tusu Festival: আধুনিক বিনোদনের চাপে বিপন্ন রাঢ় বাংলার টুসু পরব। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখার প্রয়াস।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
বাঁকুড়া, নীলাঞ্জন বন্দোপাধ্যায়: পশ্চিমী সংস্কৃতি ও আধুনিক বিনোদনের আগ্রাসনে আজ বিপন্ন বাংলার লোকঐতিহ্য। ভাদু, টুসু, ছৌ নাচ কিংবা কাঠি নাচ, ছোটনাগপুর মালভূমি ও রাঢ় বাংলার এই প্রাচীন শিল্পরূপগুলি একসময় গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে উৎসবের আবহ তৈরি করত। আজ রক ব্যান্ড, ডিজে সংস্কৃতি ও শহুরে বিনোদনের প্রভাবে সেই লোকসংস্কৃতি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে।
advertisement

বিশেষ করে রাঢ় বাংলার ঐতিহ্যবাহী টুসু পরব এখন টিকে আছে মাত্র কিছু সচেতন মানুষের উদ্যোগে। এই হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার প্রয়াস দেখা গেল দক্ষিণ বাঁকুড়ার রাইপুর ব্লকের পাঁড়রি গ্রামে। পাঁড়রি যুব গোষ্ঠীর উদ্যোগে পাঁড়রি ফুটবল ময়দানে অনুষ্ঠিত হল অষ্টম বর্ষের টুসু নৃত্য প্রতিযোগিতা। এলাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একাধিক টুসু নৃত্যের দল এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে, তুলে ধরে রাঢ় বাংলার লোকজ সুর, ছন্দ ও আবেগ।

advertisement

আরও পড়ুন: জয়নগরে যন্ত্রণার রাজত্ব, রাস্তায় আটকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে পুলিশের গাড়ি! একবার ঢুকলে বেরোতে দম ছুটে যাবে

এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ফুটবল মাঠে বসে যায় এক প্রাণবন্ত গ্রামীণ মেলা। চারিদিকে গ্রামগঞ্জের মানুষের ঢল নামে। লোকজ খাবারের দোকান, ছোটখাটো পসরা আর টুসু নাচের তালে তালে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এমন গ্রামীণ মেলাই আজও লোকসংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে টিকে থাকার শক্তি জোগায় বলে মনে করছেন সংস্কৃতিপ্রেমীরা। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও সমাজসেবী পরিমল মাহাতো বলেন, এই সংস্কৃতি আমাদের পরম্পরা। নিজেরা উদ্যোগ না নিলে আগামী দিনে তা সম্পূর্ণ হারিয়ে যাবে।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
শহরেও বাড়ির ছাদে মাটি ছাড়াই ফলবে টাটকা,তাজা শাক-সবজি,ফল! কীভাবে জানাচ্ছেন বাগান বিশেষজ্ঞ
আরও দেখুন

যুব গোষ্ঠীর সদস্য প্রণবেশ মাহাতের বক্তব্য, কোনও সরকারি অনুদান ছাড়াই এই অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। অথচ অনেক সরকারি মেলায় বিদেশি সংস্কৃতি বেশি গুরুত্ব পায়। সংস্কৃতিপ্রেমীদের মতে, পরিকল্পিত সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এই লোকঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হলেও, পাঁড়রির মত গ্রামের এই প্রচেষ্টা আজও টুসু নাচের তালে তালে রাঢ় বাংলার প্রাণকে বাঁচিয়ে রেখেছে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Tusu Festival: ডিজের যুগেও মাটির গানের টান, রাইপুরের এই মেলা যেন ইতিহাসের দলিল! টুসুর লড়াইয়ে চমকে দেওয়া ছবি
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল