গাছের শিকড় সরাসরি পুষ্টিযুক্ত জলে ডুবে থাকে। একটি পাইপের ভেতর দিয়ে পুষ্টিযুক্ত জল প্রবাহিত করা হয়, যা শিকড়কে ভিজিয়ে রাখে। এই পদ্ধতিতে খুব অল্প জায়গায় অনেক গাছ লাগান সম্ভব। জলের উপর চাষ হলেও এতে, সাধারণ চাষের তুলনায় এতে প্রায় ৯০% কম জল লাগে। কারণ জল এখানে পুনরায় ব্যবহার করা হয়। গাছের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরাসরি শিকড়ে পৌঁছয় বলে গাছ ২৫% থেকে ৩০% দ্রুত বাড়ে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ পোষা কুকুর কেন সবসময় দরজার কাছেই ঘুমোয়? সবাই দেখলেও কারণ জানেন ১০০% কুকুরপ্রেমীও, জানুন
মাটি নেই বলে মাটিবাহিত রোগ বা পোকামাকড়ের উপদ্রব অনেক কম। এখানে আগাছা পরিষ্কার করার কোনও অতিরিক্ত সময় অপচয় বা ঝামেলা নেই। এই পদ্ধতিতে সবজি থেকে শুরু করে ফুল সহ বিভিন্ন জিনিস ভাল হয় হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে। লেটুস, পালং শাক, পুদিনা, ধনেপাতা, টমেটো, ক্যাপসিকাম, শসা, স্ট্রবেরি, লঙ্কা, গোলাপ, অর্কিড-সহ বিভিন্ন জিনিস।
এই পদ্ধতিতে চাষের জন্য প্রয়োজন, নেট পট বা ছোট ছোট ছিদ্রযুক্ত প্লাস্টিকের পাত্র। মাটির বদলে শিকড় ধরে রাখার জন্য পাথরের কুচি ব্যবহার করা যেতে পারে। পার্লাইট বা নারকেলের ছোবড়া ব্যবহার করা হয়। জলে মেশানোর জন্য নির্দিষ্ট সার। জলের অম্লতা মাপার জন্য পিএইচ মিটার।হাইড্রোপনিক ও অ্যারোপনিক এই পদ্ধতিতে অনেক বেশি সুবিধাজনক বলেই জানালেন, আচার্য জগদীশ চন্দ্র বোস ভারতীয় উদ্ভিদ উদ্যানের জয়েন্ট ডাইরেক্টর ডঃ দেবেন্দ্র সিং। আরও জানা যায়, সদ্য অনুষ্ঠিত বোটানিক্যাল গার্ডেনের পুষ্প প্রদর্শনীতে এর একটি মডেল প্রদর্শন করা করা হয়েছিল মানুষকে এ বিষয়ে উৎসাহিত করতে।





