advertisement

Rice for Weight Loss: ব্লাড-সুগার আর মোটা হওয়ার ভয়ে ভাত খান না? এবার ভাত খেয়েও হুড়মুড়িয়ে কমবে ওজন, বাগে আসবে ডায়াবেটিস-ও, শুধু ভাত খান এই ছোট্ট নিয়ম মেনে

Last Updated:
ভাত ভালবাসেন? অথচ ওজন বাড়ার ভয়ে ভাত খেতে চান না? কিংবা ডায়াবেটিস বাড়ার ভয়ে ভাত দূরে রাখেন? চিন্তা নেই! এই ছোট্ট সহজ নিয়ম মেনে ভাত খান, ওজনও কমবে, ডায়াবেটিসও কমবে
1/7
বাঙালি ভাত খেতে খুব ভালবাসে! আজকালকার যুগে স্লিম হওয়ার দাপটে যতই ওটস,ডালিবা বা রুটি খাক না কেন, বাঙালি কিন্তু মন থেকে ভেতোই! শুধু চর্বি বাড়ার ভয়ে বাঙালি আজকাল ঠিক সুখ করে ভাত খেতে পারে না। পাশাপাশি রয়েছে ব্লাশ সুগারের ভয়! ডায়াবেটিকরা ভাত থেকে দূরে থাকেন! কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনি যদি একটি সহজ পদ্ধতি মেনে ভাত খান, তবে ব্লাড সুগার তো বাড়বেই না, উলটে ওজন কমবে! কী সেই পদ্ধতি?
বাঙালি ভাত খেতে খুব ভালবাসে! আজকালকার যুগে স্লিম হওয়ার দাপটে যতই ওটস,ডালিবা বা রুটি খাক না কেন, বাঙালি কিন্তু মন থেকে ভেতোই! শুধু চর্বি বাড়ার ভয়ে বাঙালি আজকাল ঠিক সুখ করে ভাত খেতে পারে না। পাশাপাশি রয়েছে ব্লাশ সুগারের ভয়! ডায়াবেটিকরা ভাত থেকে দূরে থাকেন! কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনি যদি একটি সহজ পদ্ধতি মেনে ভাত খান, তবে ব্লাড সুগার তো বাড়বেই না, উলটে ওজন কমবে! কী সেই পদ্ধতি?
advertisement
2/7
বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্না করা ভাত যদি ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখা হয়, তাহলে তার গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। এই প্রক্রিয়ায় ভাতের সহজে হজম হওয়া স্টার্চের একটি অংশ রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চে পরিণত হয়। এই পরিবর্তনকে বিজ্ঞানীরা বলেন রেট্রোগ্রেডেশন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্না করা ভাত যদি ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখা হয়, তাহলে তার গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। এই প্রক্রিয়ায় ভাতের সহজে হজম হওয়া স্টার্চের একটি অংশ রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চে পরিণত হয়। এই পরিবর্তনকে বিজ্ঞানীরা বলেন রেট্রোগ্রেডেশন।
advertisement
3/7
রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ সাধারণ কার্বোহাইড্রেটের মতো দ্রুত হজম হয় না। বরং এটি অনেকটা ফাইবারের মতো কাজ করে। ফলে শরীরে ধীরে ধীরে হজম হয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে না।
রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ সাধারণ কার্বোহাইড্রেটের মতো দ্রুত হজম হয় না। বরং এটি অনেকটা ফাইবারের মতো কাজ করে। ফলে শরীরে ধীরে ধীরে হজম হয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে না।
advertisement
4/7
কিন্তু কয়েকটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে! প্রথমত ভাত রান্না করার পর সেটিকে কমপক্ষে ১২ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখতে হবে। ২৪ ঘণ্টা রাখলে আরও ভাল। দ্বিতীয়ত, ফ্রিজের তাপমাত্রা হতে হবে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঠান্ডা তাপমাত্রায় ভাতের স্টার্চের গঠন পরিবর্তিত হয়।
কিন্তু কয়েকটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে! প্রথমত ভাত রান্না করার পর সেটিকে কমপক্ষে ১২ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখতে হবে। ২৪ ঘণ্টা রাখলে আরও ভাল। দ্বিতীয়ত, ফ্রিজের তাপমাত্রা হতে হবে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঠান্ডা তাপমাত্রায় ভাতের স্টার্চের গঠন পরিবর্তিত হয়।
advertisement
5/7
কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠছে, ফ্রিজে রাখা ভাত কি গরম করে খাওয়া যাবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাত গরম করে খেলে কোনও সমস্যা নেই। কারণ একবার রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ তৈরি হয়ে গেলে গরম করার পরেও তার বেশিরভাগ গুণ-ই বজায় থাকে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভাত অনেক ক্ষণ ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করলে তাতে থাকা রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চের পরিমাণ গরম ভাতের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে। এতে শরীরে শর্করা ধীরে ধীরে শোষিত হয় এবং ব্লাড সুগার হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।
কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠছে, ফ্রিজে রাখা ভাত কি গরম করে খাওয়া যাবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাত গরম করে খেলে কোনও সমস্যা নেই। কারণ একবার রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ তৈরি হয়ে গেলে গরম করার পরেও তার বেশিরভাগ গুণ-ই বজায় থাকে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভাত অনেক ক্ষণ ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করলে তাতে থাকা রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চের পরিমাণ গরম ভাতের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে। এতে শরীরে শর্করা ধীরে ধীরে শোষিত হয় এবং ব্লাড সুগার হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।
advertisement
6/7
ফ্রিজে ভাত রাখার পাশাপাশি আরও একটা কৌশলের কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। ভাত রান্না করার সময় অল্প পরিমাণ নারকেল তেল মিশিয়ে নিন। এবার সেই ভাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখলে স্টার্চের গঠন আরও শক্ত ও স্থিতিশীল হয়। এতে স্টার্চ অনেকটা ফাইবারের মতো আচরণ করে এবং শরীর সহজে তা ভাঙতে পারে না। ফলে ভাত থেকে শরীরে কম পরিমাণ ক্যালোরি প্রবেশ করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই পদ্ধতিতে শরীর প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কম ক্যালোরি শোষণ করে।
ফ্রিজে ভাত রাখার পাশাপাশি আরও একটা কৌশলের কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। ভাত রান্না করার সময় অল্প পরিমাণ নারকেল তেল মিশিয়ে নিন। এবার সেই ভাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখলে স্টার্চের গঠন আরও শক্ত ও স্থিতিশীল হয়। এতে স্টার্চ অনেকটা ফাইবারের মতো আচরণ করে এবং শরীর সহজে তা ভাঙতে পারে না। ফলে ভাত থেকে শরীরে কম পরিমাণ ক্যালোরি প্রবেশ করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই পদ্ধতিতে শরীর প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কম ক্যালোরি শোষণ করে।
advertisement
7/7
তবে সবসময় একটা জিনিস মাথায় রাখবেন, ভাত খেতে হবে নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে। তবেই কিন্তু ওজন কমবে ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
তবে সবসময় একটা জিনিস মাথায় রাখবেন, ভাত খেতে হবে নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে। তবেই কিন্তু ওজন কমবে ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
advertisement
advertisement
advertisement