হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে শিশু বিভাগের আউটডোর চালু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগও যুক্ত করা হবে। হাসপাতালের সুপার ডাঃ বুদ্ধদেব মুর্মু জানান, সকালবেলা কাজের চাপে অনেক শ্রমিক, দিনমজুর বা চাষি হাসপাতালে আসতে পারেন না। তাঁদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিষেবা চালু হওয়ার পর থেকেই রোগীদের উপস্থিতি বাড়ছে বলেও জানান তিনি।
advertisement
স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী আশা কর্মীদের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে প্রচার চালিয়ে সাধারণ মানুষকে পরিষেবার বিষয়ে সচেতন করা হবে। এতে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও সহজে চিকিৎসা সুবিধা নিতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, বিকেলের ওপিডি চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষ বাস্তবিকই উপকৃত হবেন। বিশেষ করে কৃষিজীবী ও কর্মরত মানুষদের জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর পদক্ষেপ। তবে তাঁদের দাবি, সব বিভাগ দ্রুত চালু হলে পরিষেবাটি আরও কার্যকর হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে এই উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরাও। তাঁদের মতে, জেলার অন্যান্য হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হলে সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর চাপ কমবে এবং রোগীদের সময়মত চিকিৎসা পেতে অসুবিধা হবে না।





