বসিরহাট পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাগাটি এলাকায় এক অভিনব ঘটনার সাক্ষী থাকলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গৃহস্থের বাড়ির ময়লার সঙ্গে ভুলবশত চলে গিয়েছিল কয়েক লক্ষ টাকার সোনার গয়না। শেষ পর্যন্ত নির্মল বন্ধু কর্মীদের উদ্যোগ ও সততায় সেই সোনা উদ্ধার হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে।
আজও পড়ুনআবার বাড়ল গ্যাসের দাম, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে পথে নেমে প্রতিবাদ তৃণমূল মহিলা নেতৃত্বের
advertisement
জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে পরিবারের সদস্যরা বিয়ে বাড়ি থেকে ফিরে একটি ব্যাগে গয়নাগুলি রেখে দেয়। বাড়ির অন্যান্য ময়লার সঙ্গে অসাবধানতাবশত কয়েক লক্ষ টাকার সোনার গয়নাও ময়লার ব্যাগে চলে যায়। বাগাটি এলাকার বাসিন্দা তাপসী বিশ্বাসের বাড়িতে এদিন সকালে দৈনন্দিন বর্জ্য সংগ্রহ করতে যান নির্মল বন্ধু কর্মী দাউদ আলী শেখ। বাড়ির অন্যান্য ময়লার সঙ্গে অসাবধানতাবশত কয়েক লক্ষ টাকার সোনার গয়নাও ময়লার ব্যাগে চলে যায়। কয়েক দিন পরে বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
এদিন সকালে পুনরায় ওই বাড়িতে গেলে দাউদ আলি শেখকে পুরো ঘটনাটি জানান তাপসী বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা। বিষয়টি জানানো হয় বসিরহাট পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ রায়কেও। এরপর দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়। বসিরহাট পৌরসভার পরিচালিত শুকনো বর্জ্য পৃথকীকরণ কেন্দ্রে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে কেন্দ্রের সুপারভাইজার তাপসী রায় চৌধুরীর সহযোগিতায় নির্মল বন্ধু কর্মীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।দীর্ঘ তল্লাশির পর অবশেষে বর্জ্যের স্তূপ থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হয় সেই সোনার গয়নাগুলি। সঙ্গে সঙ্গেই খবর দেওয়া হয় তাপসী বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যদের।
নির্মল বন্ধু কর্মীদের সততা ও দ্রুত পদক্ষেপে কয়েক লক্ষ টাকার সোনা ফিরে পাওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।
এলাকাতেও এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশংসার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্মল বন্ধু দাউদ শেখের স্ত্রী ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। অভাবের ঘরেও কোনও রকম লোভ করননি তিনি৷ সততা হারাননি। বসিরহাট শহরের কাছে এটি একটি দৃষ্টান্ত এবং নজিরবিহীন।
জুলফিকার মোল্যা






