অনেকের আশঙ্কা আবার কোভিডের লক ডাউন পরিস্থিতির দিকে চলে যেতে পারে দেশ৷ বুধবার রাতে পেট্রোল পাম্পের মালিকরা কিছু বলতে না চাইলেও, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা বিকেল নাগাদ ,পেট্রোল পাম্প মালিক রাজেশ কুমার ড্রোলিয়া বলেন, অন্য পাম্পে তেলের সরবরাহ না থাকায় তারা পেট্রোল বিক্রি বন্ধ রেখেছেন,যেহেতু তার পাম্পে পেট্রোল মজুত আছে,তাই তিনি বিক্রি করছেন। তার দাবি, আতঙ্কে পেট্রোল কেনার হিড়িক পড়ে গেছে৷ তবে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
advertisement
মানুষ পেট্রোল কিনতে গিয়ে চরম হয়রানির মধ্যে পড়ছেন তা টের পাওয়া যাচ্ছে পুরোদমে। লাইন দিতে হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। এদিন বাঁকুড়া শহরে একমাত্র মাচানতলার ইন্ডিয়ান ওয়েলের পাম্পে তেল বিক্রি হচ্ছে। তাই সকাল থেকে এইপাম্পে উপচে পড়ছে ভিড়। মাচানতলা মোড় ও স্কুলডাঙ্গা এলাকার তিনটি পেট্রোল পাম্পে একই চিত্র ধরা পড়ে। লম্বা লাইন যেন শেষই হচ্ছে না। কেউ তাড়াহুড়ো করে তেল ভরিয়ে ফিরছেন, কেউ আবার দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করছেন নিজের পালার জন্য। শহরের চেনা ছন্দ যেন বদলে গেছে। এই ভিড় শুধু যানবাহনের নয়, সঙ্গে মিশে রয়েছে উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা আর অজানা আতঙ্ক।
সরকার কেন্দ্রীয় আবগারি শুল্ক নিয়ম, ২০১৭-তে সংশোধন করে পেট্রোল, হাই-স্পিড ডিজেল (HSD) এবং ATF-এর ক্ষেত্রে নিয়ম ১৮ ও ১৯-এর বিধান প্রযোজ্য না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এই পরিবর্তনের ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি (PSUs) কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। এই সংস্থাগুলি যদি নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি রফতানি করে, তাহলে তাদের ক্ষেত্রে পুরনো নিয়মই প্রযোজ্য থাকবে এবং আগের মতোই তারা ছাড় পেতে থাকবে।





