নোটিসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। এই পরীক্ষা চলবে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। কোন তারিখে কোন কোন বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে, তাও উল্লেখ আছে। কিন্তু নোটিসের একেবারে নিচের অংশেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। নোটিসের নিচে ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশিকাটি লেখা হয়েছে বাংলা উচ্চারণে ইংরেজি হরফে। নোটিসে লেখাটি ঠিক এমন, “Upore tomader test exam routine, protidin 1hr kore protita subject a exam habe…” এই লেখাটিই বিতর্কের মূল কারণ। প্রশ্ন উঠেছে, যদি বাংলায় লেখারই প্রয়োজন ছিল, তাহলে কেন বাংলা হরফে লেখা হল না। কেন বাংলা ভাষা ইংরেজি অক্ষরে লেখা হল?
advertisement
যদিও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কাজল রায় দে’র সাফাই , তিনি ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষিকা। অভিভাবকদের কথামতো তাদের সুবিধার্থেই তিনি বাংলায় নির্দেশিকা লিখেছেন। তবে কেন বাংলা হরফে লেখা হয়নি, সে বিষয়ে তিনি জানান, তিনি বাংলা টাইপিংয়ে অভ্যস্ত নন। সেই কারণেই তিনি বাংলা উচ্চারণ ইংরেজি হরফে লিখেছেন। তাঁর আরও দাবি, জরুরি পরিস্থিতিতে তিনি বাড়ি থেকেই নোটিসটি পাঠিয়েছিলেন।
একটি বালিকা বিদ্যালয়ের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের টেস্ট পরীক্ষার নোটিসে এমন ভাষা ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাষার মান রক্ষা হওয়া উচিত বলেও মত প্রকাশ করছেন অনেকে। শিক্ষা ক্ষেত্রে পূর্ব মেদিনীপুর বরাবরই এগিয়ে। সেই জেলায় শিক্ষিকার এমন নোটিস ঘিরে বিতর্কও শুরু হয়েছে।






