TRENDING:

Bangla News: বাংলা ভাষা, ইংরেজি হরফে! বিদ্যালয়ের উচ্চমাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষার নোটিস ঘিরে বিতর্কের ঝড়

Last Updated:

Bangla News: গত ১৬ জানুয়ারি স্কুলের পক্ষ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির টেস্ট পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়। সেই রুটিন ছাত্রীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠানো হয়। 

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
মদন মাইতি, পূর্ব মেদিনীপুর: উচ্চমাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার নোটিস। এই নোটিস’কে ঘিরে এখন বিতর্কের ঝড় উঠেছে। ইতিমধ্যেই সমাজের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এই পরীক্ষার নোটিস। যদিও নোটিসের সত্যতা যাচাই করেনি লোকাল ১৮ বাংলা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগর বালিকা বিদ্যালয়ের। এই বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির টেস্ট পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি নোটিস দেওয়া হয়। গত ১৬ জানুয়ারি স্কুলের পক্ষ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির টেস্ট পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়। সেই রুটিন ছাত্রীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠানো হয়।
ভাইরাল নোটিস
ভাইরাল নোটিস
advertisement

নোটিসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। এই পরীক্ষা চলবে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। কোন তারিখে কোন কোন বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে, তাও উল্লেখ আছে।‌ কিন্তু নোটিসের একেবারে নিচের অংশেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। নোটিসের নিচে ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশিকাটি লেখা হয়েছে বাংলা উচ্চারণে ইংরেজি হরফে। নোটিসে লেখাটি ঠিক এমন, “Upore tomader test exam routine, protidin 1hr kore protita subject a exam habe…” এই লেখাটিই বিতর্কের মূল কারণ। প্রশ্ন উঠেছে, যদি বাংলায় লেখারই প্রয়োজন ছিল, তাহলে কেন বাংলা হরফে লেখা হল না। কেন বাংলা ভাষা ইংরেজি অক্ষরে লেখা হল?

advertisement

যদিও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কাজল রায় দে’র সাফাই , তিনি ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষিকা। অভিভাবকদের কথামতো তাদের সুবিধার্থেই তিনি বাংলায় নির্দেশিকা লিখেছেন। তবে কেন বাংলা হরফে লেখা হয়নি, সে বিষয়ে তিনি জানান, তিনি বাংলা টাইপিংয়ে অভ্যস্ত নন। সেই কারণেই তিনি বাংলা উচ্চারণ ইংরেজি হরফে লিখেছেন। তাঁর আরও দাবি, জরুরি পরিস্থিতিতে তিনি বাড়ি থেকেই নোটিসটি পাঠিয়েছিলেন।

advertisement

View More

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
স্মৃতির ২০৯ বছর! স্কুলের জরাজীর্ণ দালানে আজও যেন ধ্বনিত হয় নেতাজির 'সেদিনের' ভাষণ
আরও দেখুন

একটি বালিকা বিদ্যালয়ের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের টেস্ট পরীক্ষার নোটিসে এমন ভাষা ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাষার মান রক্ষা হওয়া উচিত বলেও মত প্রকাশ করছেন অনেকে। শিক্ষা ক্ষেত্রে পূর্ব মেদিনীপুর বরাবরই এগিয়ে। সেই জেলায় শিক্ষিকার এমন নোটিস ঘিরে বিতর্কও শুরু হয়েছে।

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Bangla News: বাংলা ভাষা, ইংরেজি হরফে! বিদ্যালয়ের উচ্চমাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষার নোটিস ঘিরে বিতর্কের ঝড়
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল