জানা যাচ্ছে, শিলিগুড়ির দার্জিলিং মোড় সংলগ্ন একটি বেসরকারি হোটেলে এই আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে কোচবিহারের ৯টি, জলপাইগুড়ির ৮টি, কালিম্পংয়ের ৪টি ও আলিপুরদুয়ারের ১টি গ্রাম পঞ্চায়েত সহ উত্তরের ৫০-এরও অধিক পঞ্চায়েত কর্মীদের নিয়ে এই প্রশিক্ষণ হচ্ছে।
advertisement
নদিয়া জেলার কল্যাণীতে বিআর আম্বেদকর ইনস্টিটিউট অফ পঞ্চায়েতস অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট নামে একটি প্রতিষ্ঠান আছে। পঞ্চায়েত কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণের জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি রয়েছে। উক্ত প্রশিক্ষণের দায়িত্বও তাঁদের কাঁধেই রয়েছে।
শিলিগুড়িতে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ শিবিরে শেখানো হচ্ছে, কীভাবে অনলাইনে কাজ করতে হবে। এখান থেকে শিখে পঞ্চায়েত কর্মীরা নিজ নিজ পঞ্চায়েতে গিয়ে সেই কাজ করবেন। পরবর্তীতে বিএসআই তথা ভারত স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতে গিয়ে খতিয়ে দেখবেন ঠিকভাবে কাজ হচ্ছে কিনা। এরপরেই আইএসও-র জন্য আবেদন করা হবে।
জানা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের ৩৩৫৪টি পঞ্চায়েতের মধ্যে থেকে ৩৩০টি গ্রাম পঞ্চায়েতকে এই প্রশিক্ষণ শিবিরের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। সেই পঞ্চায়েতগুলির প্রধান, উপপ্রধান বা নির্বাহী সচিবকে নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গই প্রথম নয়, ইতিমধ্যেই দেশের বেশ কিছু রাজ্যের কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এই আইএসও শংসাপত্র পেয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এর ফলে একদিকে যেমন পঞ্চায়েতের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, তেমনই নাগরিক পরিষেবারও মানোন্নয়ন হবে।
