১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চাহিদা মতো কলকাতা যাওয়া ও আসার ট্রেনের দাবি না মিটলে ওই প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছিল তারা আমরণ অনশনে বসবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হওয়ায় তারা অনশনে বসে। কিন্তু বুধবার রেল পুলিশ আন্দোলনরত যাত্রীদের প্ল্যাটফর্ম থেকে তুলে দেয়। কারণ রেলের নিয়ম অনুসারে প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের আন্দোলন করার কোনও নিয়ম নেই।
advertisement
রেল পুলিশের তরফ থেকে এদিন বিষয়টি জানানো হলে আন্দোলনকারীরা তাদের কর্মসূচি দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন। তবে আন্দোলন এখানেই শেষ হচ্ছে না বলেই জানিয়েছেন সংগঠনের সদস্য সুবীর সেন, রাহুল মণ্ডল-সহ অন্যান্যরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাদের তরফ থেকে অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হলেও তারা কৃপাহার স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজারকে এদিন নতুন করে একটি স্মারকলিপি জমা দেন যাতে করে তাদের চাহিদা পূরণ হয়। এর পাশাপাশি চাহিদা পূরণের জন্য তাদের তরফ থেকে রেলকে পথ দেখানো হয়।
তাদের দাবি অনুযায়ী, তাদের এই চাহিদা পূরণের জন্য নতুন কোনও ট্রেনের দরকার নেই। বরং যে সকল ট্রেনগুলি কাটোয়ায় এসে হল্ট করে সেই সকল ট্রেনগুলিরই একটি আহমেদপুর অথবা রামপুরহাট পর্যন্ত চালানো হলেই সমস্যা মিটে যাবে। যদিও এই সকল দাবি দাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে রেলের তরফ থেকে কোনওরকম প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।
