পরিদর্শনের সময় ডিআরএম প্রশ্ন তোলেন, দিব্যাঙ্গনদের ব্যবহারের জন্য নির্মিত টয়লেট কেন এত নিচু উচ্চতায় তৈরি করা হয়েছে এবং কেন কাজের অগ্রগতি এত ধীরগতির। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারদের কাছ থেকে ব্যাখ্যাও চান তিনি। পাশাপাশি, কাজের মান ও সময়সীমা মেনে প্রকল্প সম্পন্ন করার বিষয়ে একাধিক পরামর্শ দিতে দেখা যায় তাঁকে।
advertisement
পরিদর্শন শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে DRM বিশাল কাপুর জানান, নভেম্বর মাস পর্যন্ত বৃষ্টির জল জমে থাকার কারণে কাজ কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় আশা করা হচ্ছে, আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যেই আধুনিকীকরণের কাজ সম্পন্ন করা যাবে। এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপাতত নিকটবর্তী অন্যান্য স্টেশনগুলিই যাত্রীদের ব্যবহার করতে হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পাশাপাশি আসন্ন সরস্বতী পুজো উপলক্ষে কালনা স্টেশন থেকে কোনও স্পেশ্যাল ট্রেন চালানো হবে কি না এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, এর জন্য যাত্রীসংখ্যা ও অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখে একটি এস্টিমেট তৈরি করা হয়। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে কালনা স্টেশনের সংলগ্ন রেল বস্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন করা হলে, সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে এড়িয়ে যান ডিআরএম।এদিনের পরিদর্শনে ডিআরএম-এর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রেলের অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিক।






