আলিপুরদুয়ার শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের জামতলা এলাকায় এই মন্দিরটি রয়েছে। আলিপুরদুয়ার শহরের এই মন্দির বামতারা মন্দির নামে পরিচিত। শহরের মানুষেরা এই মন্দিরের কথা জানলেও আলিপুরদুয়ার জেলা সহ পার্শ্ববর্তী জেলার অনেকেই এখনও এই বিষয়ে জানেন না।
তারাপীঠ মন্দিরের কয়েকজন সেবায়েত এবং আলিপুরদুয়ার শহরবাসীদের সহায়তায় ৮ বছর আগে এই মন্দির গড়ে ওঠে। তারাপীঠ মন্দিরের দু’জন পুরোহিত দেবীর নিত্য পুজো করেন। এই মন্দিরের দেবী মূর্তি তারাপীঠের মা তারার আদলে তৈরি। দেবীর মূর্তি ছাড়াও এখানে হনুমান এবং শিবের মন্দির রয়েছে। এই দুই মন্দিরে এলাকার পুরোহিতরা পুজো করেন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ চলন্ত বাইকে লেপার্ডের হামলা! জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আচমকা ঝাঁপ, আহত দুই মাছ ব্যবসায়ী
প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে মন্দিরে পুজো শুরু হয়ে যায়। দুপুর ১২টা অবধি মন্দির খোলা থাকে। এরপর ফের বিকেল ৪টে থেকে মন্দির খুলে যায়। প্রতিদিন দেবীকে ভোগ নিবেদন করা হয়। সকালে পুজো দিতে এলে ভক্তরা দেবীর ভোগ পেয়ে থাকেন। এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে কয়েকটি দোকান বসে, সেখানে পাওয়া যায় পুজোর সামগ্রী। প্রতি অমাবস্যায় বিশেষ পুজোর আয়োজন হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে প্রদীপ কুমার সরকার জানান, “তারাপীঠের পুরোহিতরা ৮ বছর আগে এলাকায় এসেছিলেন। তাঁদের কথা অনুসারে এই এলাকায় দেবী তারা পুজো নিতে চাইছিলেন। এরপর এলাকার বাসিন্দারা বৈঠক করি। অর্থ সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। শহরবাসীরা প্রচুর সাহায্য করেছেন। যারা তারাপীঠ যেতে পারেননি তাঁরা এখানে এলে মা তারাকে দেখতে পাবেন, পুজো দিতে পারবেন।”





