শ্যামল রায় পেশায় শিক্ষক। যদিও চাকরির কিছু সময় বাকি থাকার আগে তিনি অবসর নিয়েছেন স্বেচ্ছায়। তারপর থেকে দলের কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন তিনি। যদিও শ্যামল রায় ছাড়া আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীর দৌড়েছিলেন আরও অনেকেই। কিন্তু রাজ্য কমিটির তরফে তাকেই দেওয়া হয়েছে প্রার্থী পদ। বর্তমানে শ্যামল রায়কে দেখা যাচ্ছে আলিপুরদুয়ার শহরের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে প্রচার চালাতে। যুব সমাজের সঙ্গে বেশি করে জনসংযোগ স্থাপন করছেন তিনি। কখনও যুবকদের চায়ের ঠেক, আবার কখনও যুবকদের সঙ্গে ক্যারাম খেলায় মেতে উঠছেন তিনি। তার কথা অনুযায়ী সমাজকে উন্নত করতে হলে চাই যুবদের সঙ্গ। বর্তমান সময়ে যুব সমাজে যে অবক্ষয় হয়েছে তার জন্য শাসক দল তৃণমূল দায়ী। তিনি জানান, “মানুষের মন থেকে সংগ্রামের মানসিকতা কমে গিয়েছে। সমাজের উন্নতি চাইলে সবার আগে বিজেপি ও তৃণমূল মুক্ত রাজ্য চাই।”
advertisement
অন্যদিকে, ফালাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বাম প্রার্থী কমল কিশোর রায় ভোটের ইস্যু করেছেন ফালাকাটাকে মহকুমা ঘোষণা করার। পাশাপাশি জটেশ্বরকে আলাদা ব্লক গড়ে তোলার। কমল কিশোর রায় জেলার পুরোনো বামফ্রন্টের সদস্য। তিনি জানান, ” জটেশ্বর ব্লক না দেখে এই এলাকার মানুষের সমস্যাগুলি সেই তিমিরেই পরে থাকে।ভোটে জয়ী হলেই এই সমস্যার সমাধান আগে করব। “





