চিরাচরিত চাষের বদলে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরষে, ভুট্টার মতো বিকল্প চাষে আয়ের পথ দেখাচ্ছেন এদেশের কৃষকেরা। এই চাষ সরজমিনে খতিয়ে দেখতে কালচিনি ব্লকের দক্ষিণ মেন্দাবাড়ির বিভিন্ন চাষের জমি পরিদর্শন করেছেন অস্ট্রেলিয়া, ভুটান, নেপাল সহ একাধিক দেশের এক প্রতিনিধিদল। চাষের পদ্ধতি দেখেন, কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।
advertisement
এই এলাকার একাধিক জমিতে কৃষি দফতরের সহযোগিতায় জমিতে কোনও চাষ ছাড়াই যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চারা, বীজ রোপণ করে কৃষিকাজ হচ্ছে। পাশাপাশি, জঙ্গলে ঘেরা এই এলাকায় চাষের জমিতে বন্যপ্রাণীর তাণ্ডবও নিত্যদিনের ঘটনা।সেটিকে উপেক্ষা করে কৃষকেরা কীভাবে চাষাবাদ করে চলেছেন তা দেখলেন বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিজ্ঞানীরা।
তাঁদের সঙ্গে ছিলেন উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক অধ্যাপক ও কৃষি দফতরের একাধিক আধিকারিকরা। মূলত উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে এই পরিদর্শন কর্মকান্ডের আয়োজন করা হয়েছিল। যেখানে অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টর (এসিআইআর), অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয় সহ একাধিক দেশ থেকে প্রতিনিধি দল পরিদর্শনে আসেন।
জঙ্গল ঘেরা এমন প্রত্যন্ত এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে কৃষকেরা কীভাবে লাভবান হচ্ছেন সেটা তাঁদের সামনে তুলে ধরা হয়। এই বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে আগত এসিআইআর ম্যানেজার লে ভিয়াল জানান, “সমস্ত প্রতিকূলতাকে দূরে সরিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে এই প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকেরা চাষাবাদ করছেন। আমরা সেটা দেখলাম। এলাকার মধু, ভুট্টা চাষ দেখেছি।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
উত্তরবঙ্গের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বিপ্লব মিত্র বলেন, “এলাকার সরষে চাষের জমিতে মৌমাছি থাকায় বন্যপ্রাণীর উপদ্রব অনেকাংশেই কমে গিয়েছে। একসঙ্গে দু’টি চাষ চলছে। কৃষকরা লাভবান হচ্ছে, বিদেশ থেকে আগত কৃষিবিদদের আমরা তা দেখাতে পেরে খুশি।”





