advertisement

Birbhum News: বীরভূমের রাস্তায় কমছে মৃত্যুর হাতছানি! পুলিশের কোন নতুন চালে জব্দ হচ্ছে দুর্ঘটনা, জেলা ট্রাফিক পুলিশের 'মাস্টারপ্ল্যান' জানুন

Last Updated:
Birbhum News: গত এক বছরে জেলায় দুর্ঘটনার সংখ্যা ও মৃত্যু উভয় ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী গ্রাফ লক্ষ্য করা গিয়েছে। কোন উপায়ে সাফল্যের মুখ দেখছে পুলিশ?
1/5
বীরভূম জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বড়সড় সাফল্যের মুখ দেখছে জেলা পুলিশ। গত বছরের তুলনায় জেলায় 'ব্ল্যাক স্পট' বা অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জেলা পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে জেলায় ব্ল্যাক স্পটের সংখ্যা ছিল ৩৭টি, যা বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে ২৯ এ। (ছবি ও তথ্যঃ সুদীপ্ত গড়াই)
বীরভূম জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বড়সড় সাফল্যের মুখ দেখছে জেলা পুলিশ। গত বছরের তুলনায় জেলায় 'ব্ল্যাক স্পট' বা অতি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জেলা পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে জেলায় ব্ল্যাক স্পটের সংখ্যা ছিল ৩৭টি, যা বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে ২৯ এ। (ছবি ও তথ্যঃ সুদীপ্ত গড়াই)
advertisement
2/5
গত এক বছরে দুর্ঘটনার সংখ্যা ও মৃত্যু উভয় ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী গ্রাফ লক্ষ্য করা গিয়েছে। ২০২৩ সালের তথ্যানুযায়ী, ৩৭টি ব্ল্যাক স্পটে ২৫০টি দুর্ঘটনায় ৯৭ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। বর্তমানে ২৯টি ব্ল্যাক স্পটে দুর্ঘটনার সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১৮৮টি এবং প্রাণহানির সংখ্যা ৭৫-এ নেমে এসেছে। যদিও এই মৃত্যুহারকে শূন্যে নামিয়ে আনাই এখন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।
গত এক বছরে দুর্ঘটনার সংখ্যা ও মৃত্যু উভয় ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী গ্রাফ লক্ষ্য করা গিয়েছে। ২০২৩ সালের তথ্যানুযায়ী, ৩৭টি ব্ল্যাক স্পটে ২৫০টি দুর্ঘটনায় ৯৭ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। বর্তমানে ২৯টি ব্ল্যাক স্পটে দুর্ঘটনার সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১৮৮টি এবং প্রাণহানির সংখ্যা ৭৫-এ নেমে এসেছে। যদিও এই মৃত্যুহারকে শূন্যে নামিয়ে আনাই এখন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।
advertisement
3/5
পুলিশি তৎপরতায় গত বছরের তালিকা থেকে ১৮টি জায়গা ব্ল্যাক স্পটের তকমা মুক্ত হয়েছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হল, নতুন করে ১০টি এলাকা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বিগত তিন বছরে কোন নির্দিষ্ট স্থানে যদি অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয় অথবা ১০ জন গুরুতর আহত হন, তবে সেই স্থানটিকে ‘ব্ল্যাক স্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বর্তমানে বীরভূমের বাঁধেশ্বর (সদাইপুর থানা) এবং আম্মামোড় (মল্লারপুর থানা) এলাকায় প্রাণহানির ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
পুলিশি তৎপরতায় গত বছরের তালিকা থেকে ১৮টি জায়গা ব্ল্যাক স্পটের তকমা মুক্ত হয়েছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হল, নতুন করে ১০টি এলাকা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বিগত তিন বছরে কোন নির্দিষ্ট স্থানে যদি অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয় অথবা ১০ জন গুরুতর আহত হন, তবে সেই স্থানটিকে ‘ব্ল্যাক স্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বর্তমানে বীরভূমের বাঁধেশ্বর (সদাইপুর থানা) এবং আম্মামোড় (মল্লারপুর থানা) এলাকায় প্রাণহানির ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
advertisement
4/5
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বীরভূম জেলা ট্রাফিক পুলিশ একাধিক আধুনিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং জাতীয় সড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অনেক জায়গায় নতুন করে স্পিড ব্রেকার বসানো হয়েছে। এছাড়া রাতের অন্ধকারে বা কুয়াশায় চালকদের সতর্কতা অবলম্বনের জন্য রাস্তার ধারের গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে রিফ্লেক্টর লাগানো হচ্ছে।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বীরভূম জেলা ট্রাফিক পুলিশ একাধিক আধুনিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং জাতীয় সড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অনেক জায়গায় নতুন করে স্পিড ব্রেকার বসানো হয়েছে। এছাড়া রাতের অন্ধকারে বা কুয়াশায় চালকদের সতর্কতা অবলম্বনের জন্য রাস্তার ধারের গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে রিফ্লেক্টর লাগানো হচ্ছে।
advertisement
5/5
জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ জানিয়েছেন, ব্ল্যাক স্পটগুলিতে সারা বছরই বিশেষ নজরদারি চালানো হয়। তবে শীতকালীন কুয়াশায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় রিফ্লেক্টর ও গতিরোধকের ওপর বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেবল পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে ট্রাফিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে লিফলেট বিলি ও প্রচার অভিযানও সমান্তরালভাবে চালানো হচ্ছে। (ছবি ও তথ্যঃ সুদীপ্ত গড়াই)
জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ জানিয়েছেন, ব্ল্যাক স্পটগুলিতে সারা বছরই বিশেষ নজরদারি চালানো হয়। তবে শীতকালীন কুয়াশায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় রিফ্লেক্টর ও গতিরোধকের ওপর বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেবল পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে ট্রাফিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে লিফলেট বিলি ও প্রচার অভিযানও সমান্তরালভাবে চালানো হচ্ছে। (ছবি ও তথ্যঃ সুদীপ্ত গড়াই)
advertisement
advertisement
advertisement