জঙ্গলমহল উৎসবে রাজ্য সরকারের (State Government) বিভিন্ন দপ্তরের কাউন্টার সহ নানান হস্তশিল্পের কাউন্টার খোলা হয়েছে। উৎসবের সূচনার পর থেকেই প্রতিটি কাউন্টারে ভিড় জমান এলাকার মানুষেরা। এলাকার নতুন উৎসবকে ঘিরে উদ্দীপনা তুঙ্গে রয়েছে স্থানীয় মানুষজন এর। তবে এদিন করোনার বিধি-নিষেধ মেনেই এই উৎসবে সকলকে প্রবেশ করানো হয়। জঙ্গলমহল উৎসব নিয়ে মন্ত্রী (Minister) স্বপন দেবনাথ জানিয়েছেন, রাজ্যের যে সমস্ত পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায় রয়েছে যেমন বাউরি সমাজ, আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, তাদের উন্নয়নের জন্য চিন্তাভাবনা করেছে সরকার। নানান বিষয়ে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে তাদের। তারা কিভাবে স্বাবলম্বী হবে, সেই বিষয়ে নানান উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। জঙ্গলমহল উৎসবের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া মানুষদের উন্নয়ন করার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।
advertisement
তবে জঙ্গলমহল উৎসব নিয়ে কিছুটা রাজনৈতিকভাবে জলঘোলা হয়েছে। কারণও রয়েছে যথেষ্ট। কারণ, বীরভূমের অনুষ্ঠানে বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে সরকারি অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ করা হলেও, পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন না পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিধান উপাধ্যায়। কাঁকসার বাসিন্দা তথা জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি সমীর বিশ্বাসও এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি। যদিও এই ব্যাপারে সমীর বিশ্বাস জানিয়েছেন, তাকে কার্ডের মাধ্যমে নিমন্ত্রণ করা না হলেও, কাঁকসার বিডিও সুদীপ্ত ভট্টাচার্য্য তাকে ফোনে অনুষ্ঠানে আসার কথা বলেন। কিন্তু তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থেকে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এই জঙ্গলমহল উৎসব ঝাড়গ্রামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, করোনার বিধিনিষেধের কারণে জঙ্গলমহল উৎসবকে ৬টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম,ঝাড়গ্রাম, ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতেও এই জঙ্গলমহল উৎসব পালিত হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।






