TRENDING:

North Dinajpur News: রং বেরংয়ের মুখোশ তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সাধন বর্মন 

Last Updated:

North Dinajpur News: ২০১৪ সাল থেকে সাধন মুখোশ তৈরি করার কাজকেই বেছে নিয়েছে তার রুটি রুজির হাতিয়ার হিসেবে। বাড়িতে অভাব তাই অভাবের তাড়নায় বেশি দূর লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারিনি সাধন।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
পিয়া গুপ্তা, উত্তর দিনাজপুর: উত্তর দিনাজপুর জেলায় প্রাচীন লোকসংস্কৃতির অন্যতম ঐতিহ্য মুখোশ শিল্প। জেলার রাজবংশী সম্প্রদায়ের লোকাচার ও ধর্ম বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কাঠের মুখোশ আর মুখা নাচ। বৈশাখ থেকে আষাঢ় শ্রাবণ মাসের মধ্যে বিভিন্ন পূজাতে মুখা নাচ হবেই। এখন সময় এগিয়েছে। শুধু লৌকিক আচার বা ধর্মীয় প্রয়োজনে মুখোশ তৈরি না করে সৃষ্টিশীলতার স্বীকৃতি পাওয়া এবং একে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার একটা তাগিদ তৈরি হয়েছে এই শিল্পীদের মধ্যে।
advertisement

তারই অঙ্গ হিসাবে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জের হরিহরপাড়ার সাধন বর্মন। ২০১৪ সাল থেকে সাধন মুখোশ তৈরি করার কাজকেই বেছে নিয়েছেন তাঁর রুটি রুজির হাতিয়ার হিসেবে। অভাবের তাড়নায় বেশি দূর লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারেননি সাধন।মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেই তিনি বিভিন্ন ধরনের মুখোশ তৈরির কাজ করতে থাকেন। সাধনের রং বেরংয়ের বিভিন্ন ধরনের কাঠের মুখোশ সকলকে তাক লাগিয়ে দেয় ।

advertisement

শিমুল, শিশু ,আম, জাম বিভিন্ন ধরনের কাঠ চেরাই করে সেই কাঠ দিয়েই দুর্গা ,কালী, রাক্ষস, হনুমান, বাঘ কিংবা বুড়ো বুড়ি বিভিন্ন ধরনের রংবেরঙের মুখোশ বানান উত্তর দিনাজপুর জেলার কাজিয়াগঞ্জের নসিরহাটের বাসিন্দা সাধন বর্মন। সাধন বিভিন্ন ধরনের কাঠ কিনে এনে সেগুলো দিয়ে প্রথমে নকশা তৈরি করে। এর পর সেই কাঠের মুখোশ গুলোকে তারপিন তেলের সঙ্গে রং করে বিভিন্ন ধরনের রং বেরংয়ের মুখোশ তৈরি করেন সাধন। সাধনের হাতের তৈরি এই মুখোশগুলোই জেলা ছড়িয়ে অন্য জেলাতেও পাড়ি দিচ্ছে। কেউ বা নিজের ঘর সাজানোর জন্য, কেউ আবার মুখো নৃত্য পরিবেশনের জন্য এই কাঠের মুখোশগুলি কিনে নিয়ে যায়।

advertisement

View More

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
শহুরে ভিড় ছেড়ে পাহাড়ে প্রেম!শিলিগুড়ির অদূরে রোম্যান্টিক গেটওয়ে,ছোট্ট ছুটিতে ঘুরে আসুন
আরও দেখুন

সাধন বর্মন জানান তাঁর তৈরি মুখোশগুলো অনেকে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ভাড়া নিয়ে যান। অভাবের সংসারে এক সময় বিভিন্ন ধরনের প্যান্ডেলের কাজ করতে তাঁকে বাইরে যেতে হত। সেখানে এক সময় মালদার বটুকভৈরব চৌধুরীর কাছে থেকে সে মুখোশ তৈরির কাজ শেখেন। তার পর বাড়িতে ধীরে ধীরে নিজের চেষ্টায় মুখোশ তৈরি করেন। বিভিন্ন ধরনের কাঠ ও নিখুঁত হাতের কাজের উপর নির্ভর করে সেই মুখোশগুলোর দাম। সাধন বর্মন জানান যদিও কোনও সরকারি সহযোগিতা তিনি পান না,তবুও এই মুখোশ তৈরি করে তার ভাল ভাবেই সংসার চলে যায়।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/উত্তর দিনাজপুর/
North Dinajpur News: রং বেরংয়ের মুখোশ তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সাধন বর্মন 
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল