মেদিনীপুর সদর ব্লকের চাঁদড়ার ঢড়রাশোল এলাকায় এখন খুদে সৃজিতকে নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। ঝাড়গ্রামের আদি বাড়ি হলেও, ফুটবলের নেশায় ছোটবেলা থেকেই সে মানুষ মামাবাড়িতে। মামা পিন্টু মাহাতো এলাকায় নামকরা ফুটবলার। তাঁকে দেখেই ফুটবলের প্রতি প্রথম টান সৃজিতের। বর্তমানে জিন্দাল ফুটবল কোচিং ক্যাম্পের ছাত্র সে। পঞ্চম শ্রেণীর এই পড়ুয়ার ড্রিবলিং আর জাগলিং দেখার মত। কখনও একা একা, আবার কখনও বয়সে বড়দের সঙ্গে সমানতালে ৯০ মিনিট মাঠ দাপিয়ে বেড়ায় এই বিস্ময় প্রতিভা।
advertisement
ইতিমধ্যেই জেলা ও রাজ্যের একাধিক টুর্নামেন্টে নিজের জাত চিনিয়েছে সৃজিত। নজরকাড়া টেকনিকের সুবাদে পকেটে পুরেছে একাধিক ‘ম্যান অফ দ্য ম্যাচ’-এর ট্রফি। তার বাবা একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত হলেও, ছেলের অদম্য জেদ আর ইচ্ছের কাছে হার মেনেছে সব প্রতিকূলতা। সৃজিতের কথায়, “মামা আমার অনুপ্রেরণা ঠিকই, কিন্তু বড় হয়ে আমি সুনীল ছেত্রীর মত দেশের হয়ে গোল করতে চাই।”
জঙ্গলমহলের রুক্ষ মাটিতে ফুটবলের চারাগাছটি যে ডালপালা মেলতে শুরু করেছে, সৃজিত তার জীবন্ত প্রমাণ। স্থানীয়দের আশা, সঠিক প্রশিক্ষণ আর সরকারি সহযোগিতা পেলে এই খুদে প্রতিভা একদিন বাংলার ফুটবলকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। আপাতত বুট পরেই ভোর আর সন্ধ্যায় নিজেকে ঘষেমেজে নিতে ব্যস্ত জঙ্গলমহলের এই ‘ছোট্ট সুনীল’।





