ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। প্রথম দুটি ওভার একটু সেট হওয়ার জন্য সময় নেন দুই ভারতীয় ওপেনার সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। কিন্তু তা যে ঝড় ওঠার আগের নিস্তব্ধতা ছিল তা টের পাননি কিউই বোলাররা। কিন্তু তৃতীয় ওভার থেকে দানবীয় ব্যাটিং শুরু করে ভারতীয় দল। নিউজিল্যান্ড বোলারদের ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা হয়। তবে শেষের দিকে কামব্যাক করে কিউই বোলাররা।
advertisement
প্রথম পাওয়ার প্লে-তেই সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা মিলে ৯২ রান করে। একের পর এক চোখ ধাঁধানো শট খেলেন দুই তারকা ব্যাটার। ফাইনালের মঞ্চকেই ফর্মে ফেরার জন্য বেছে নেন অভিষেক। মাত্র ১৮ বলে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন তিনি। ২১ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলে আউট হন অভিষেক। ওপেনিং জুটিতে হয় ৯৮ রান। কিন্তু সঞ্জু স্যামসন নিজের ইনিংস চালিয়ে যান। তাঁকে সঙ্গ দেন ইশান কিশান।
উইকেট পড়লেও ভারতের রানের গতিবেগ এতটুকু কমেনি। ইশান যেন ড্রেসিং রুম থেকেই সেট হয়ে ব্যাট করতে নেমেছিলেন। সময় যত এগিয়েছে ভারতের রানের গতি আরও বেড়েছে। সঞ্জু ও ইশান দুজনেই নিজেদের ব্যক্তিগত গাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন। প্রথম উইকেট পড়ার পর মাত্র ৮ ওভারে ১০৩ রানের পার্টনারশিপ করে দলের স্কোর ২০০ পার নিয়ে যান সঞ্জু ও ইশান। ৪৬ বলে ৮৯ রানের স্মরণীয় ইনিংস খেলে আউট হন সঞ্জু। জুটি ভাঙতেই বেশি সময় ক্রিজে থাকতে পারেননি ইশানও। ২৪ বলে ৫৪ করে আউট হন তিনি। এরপর সূর্যকুমার যাদব এসে প্রথম বলেই আউট হন। এক ওভারে ৩ উইকেট নিয়ে ভারতকে ধাক্কা দেন জিমি নিশাম।
পরপর ৩ উইকেট হারিয়ে ভারতের রানের গতিবেগ কিছুটা কমে যায়। আঁটোসাটো বোলিং করেন নিশাম। স্লগ ওভারে একটা সময় ১৭ বল পর প্রথম বাউন্ডারি মারে ভারত। স্লগ ওভারে দ্রুর রান তুলতে গিয়ে সাজঘরে ফেরেন হার্দিকও। তিনি করেন ১৮ রান। ১৬ থেকে ১৯ ওভারে মাত্র ২৮ রান করে ভারত। কিন্তু শেষ ওভারে ফের বিদ্ধংসী ব্যাটিং করেন দুবে। জিমি নিশামকে এক ওভারে ২৪ মারেন শিবম দুবে। ২৫৫তে থামে ভারত। ৮ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন দুবে।
