মাত্র চার বছর বয়সে শরীর সুস্থ রাখতে যোগা প্রশিক্ষণ শুরু হয় রাজশ্রীর। ছোটবেলা থেকেই নিয়মিত অনুশীলন ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ তার জীবনের অঙ্গ হয়ে ওঠে। কখনও হেরে গেছে, আবার কখনও পদক জিতেছে। হারকে সে কখনও ভয় পায়নি, বরং শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করেছে। ধীরে ধীরে পাড়া, গ্রাম, ব্লক, জেলা ও রাজ্য স্তর পেরিয়ে আজ সে বিশ্বমঞ্চে সফল।
advertisement
দিন এনে দিন খাওয়া পরিবার রাজশ্রীর। কয়েক কিলোমিটার দূরের কোলাঘাট থেকে ফুল কিনে এনে বাবা ও কাকা ফুলের মালা গেঁথে ফেরি করেন। সেই কাজে অবসরে সাহায্য করে রাজশ্রী ও তার ছোট ভাই। সংসারে অভাব থাকলেও, মেয়ের প্রতিভা বিকাশে পরিবার কখনও পিছিয়ে যায়নি। সব প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা রাজশ্রীর পাশে থেকেছে।
রাজশ্রী জানায়, বাবা-মা, কাকা-পিসি ও প্রশিক্ষকদের নিরলস সহযোগিতায় সে আজ এই সাফল্য পেয়েছে। আর্থিক সমস্যা, সামাজিক চাপ সবকিছুকে উপেক্ষা করে পরিবার তাকে এগিয়ে যেতে উৎসাহ দিয়েছে। ভবিষ্যতে একজন যোগা প্রশিক্ষক হয়ে আরও অনেককে যোগার মাধ্যমে সুস্থ ও সচেতন করতে চায় সে। এই বিশ্বজয় তার স্বপ্নপূরণে আরও অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশা।
আরও পড়ুনঃ Howrah News: ডুমুরজলায় অনুষ্ঠিত হল ৬৯তম স্কুল গেমস জিমন্যাস্টিকস! প্রতিভা চোথে তাক লাগিয়ে দেওয়া
রাজশ্রীর বাবা বিশ্বজিৎ খাঁড়া জানান, স্থানীয় ক্লাব ও সংগঠনের সহায়তায় ছোটবেলা থেকেই মেয়ের প্রতিভা বিকাশ হয়েছে। মেয়ের মধ্যে প্রতিভা দেখে কষ্ট হলেও তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন তারা। আজ রাজশ্রীর বিশ্বজয় শুধু তাদের পরিবারের নয়, গোটা এলাকার গর্ব।





