একদিকে গ্যাস ও জ্বালানির লাগাতার দাম বৃদ্ধি, অন্যদিকে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি, সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। আগে যেখানে প্রতিদিন কয়েকটি ট্রিপ করে কিছুটা আয় হত, এখন সেখানে দিন কাটছে প্রায় খালি হাতে। সংসারের খরচ চালানো, গাড়ির কিস্তি দেওয়া, সবকিছুই এখন চাপের কারণ হয়ে উঠেছে চালকদের কাছে। স্থানীয় চালক চন্দন রায় জানিয়েছেন, “আগে এই সময়টায় কাজের এত চাপ থাকত যে বিশ্রাম নেওয়ার সময় পেতাম না। কিন্তু এখন সারাদিন দাঁড়িয়ে থেকেও যাত্রী মেলে না। জ্বালানির দাম বাড়ছে, কিন্তু আয় প্রায় শূন্য, এই অবস্থায় পরিবার চালানো খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।”
advertisement
আরও পড়ুনঃ বহরমপুরে বিরাট চমক! তিন দশক পর বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হচ্ছেন অধীর
অন্যদিকে, মোঃ হাকিমের কথায় উঠে এসেছে আরও গভীর উদ্বেগ। তিনি বলেন, “পর্যটক না আসায় আমাদের পুরো কাজই বন্ধ। তার ওপর বাজারে সবকিছুর দাম বেড়েই চলেছে। সামনে নির্বাচন থাকায় অনেকেই ভ্রমণে আসতে চাইছেন না। এই পরিস্থিতি যদি চলতেই থাকে, তাহলে আমাদের মতো ছোট চালকদের বাঁচা দায় হয়ে যাবে।”
সব মিলিয়ে পাহাড়ের এই পর্যটন নির্ভর অর্থনীতি এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, নির্বাচনের আবহ যত এগোবে, ততই পর্যটক কমবে এবং বাজারে মন্দা আরও বাড়বে। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে, এই সংকট আরও গভীর আকার নিতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকেই।





