বন দফতরের নম্বর পেতে অনেক সময় অসুবিধা হয়। সেক্ষেত্রে স্থানীয় থানায় বিষয়টি জানালে তারাই বন দফতরে খবর দিতে পারবে। যতক্ষণ না বনদফতরের লোকজন আসবে ততক্ষণ পুকুর পাড়ে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে প্রশাসন।
আরও পড়ুনঃ ‘শিয়াল হইতে সাবধান’! একা পেলেই আক্রমণ করছে, প্রাণ বাঁচাতে লাঠি হাতে দলবদ্ধভাবে থাকার পরামর্শ
advertisement
কারণ কুমির ঢুকলে পুকুড় পাড়ে ভিড় করেন স্থানীয়রা। সেক্ষেত্রে বিপদ হতে পারে। প্রয়োজনে পুকুরটি জাল দিয়ে ঘিরে দেওয়া যেতে পারে। এ নিয়ে গৌরি বারিক নামের এক সদস্য জানিয়েছেন, বন দফতর উপকূলের এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে একটি টিম তৈরি করে দেয়। সেখানে স্থানীয় সদস্য-সহ অনেকেই থাকেন। তাদের অনেক কিছু শেখানো হয়।
বন দফতরের কর্মী আসার আগে পর্যন্ত তারা স্থানীয়দের সতর্ক করতে পারেন। কুমির মূলত ইক্টোথার্মিক বা ঠান্ডা রক্তের প্রাণী। আর সেজন্য কুমির নিজের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে বাহ্যিক পরিবেশের ওপর নির্ভর করে থাকে। শীতকালে অনেক সময় রোদ পোহাতে বাইরে আসে কুমির। এছাড়াও খাবার সমস্যা হলে চলে আসা তারা। জোয়ারের জল বাড়লেও তারা চলে আসে। ফলে শীতের দিকে কুমির দেখতে পাওয়া যায় বেশি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কুমির দেখতে পেলে আতঙ্কিত না হয়ে সরাসরি বন দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। শীতে কুমির বাইরে বের হলেও ওরা নিস্তেজ হয়ে থাকে। ফলে খুব একটা আক্রমণ করে না। তাই ভয় না পাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সকলকে।





