বিদ্যালয়ের খুদে পড়ুয়ারা নিজেদের কল্পনা, বুদ্ধি ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন বিষয়ের উপর মডেল তৈরি করে সকলের সামনে তুলে ধরে। শিক্ষকদের সহযোগিতা নিয়ে বানানো এই মডেল নিয়ে উপস্থিত মানুষজনকে বোঝায় পড়ুয়ারা। রঙিন পেপার, কার্ডবোর্ড ও সহজলভ্য উপকরণ ব্যবহার করে কোথাও পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকারের উপায় তুলে ধরা হয়েছে, কোথাও গ্লোবাল ওয়ার্মিং কীভাবে পৃথিবীর উপর প্রভাব ফেলছে তা দেখানো হয়েছে। কেউ আবার সৌর জগতের মডেল বানিয়ে গ্রহগুলির অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য বোঝানোর চেষ্টা করেছে।
advertisement
শুধু বিজ্ঞানই নয়, জীববিদ্যা ও পরিবেশ সংক্রান্ত নানা বিষয়ও মডেলের মাধ্যমে সহজভাবে উপস্থাপন করেছে পড়ুয়ারা। মানুষের পঞ্চ ইন্দ্রিয় কীভাবে কাজ করে? পরিবেশে গাছের কতটা ভূমিকা রয়েছে, তা সকলের সামনে তুলে ধরে ছোট্ট ছোট্ট পড়ুয়ারা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, এই ধরনের আয়োজন শিক্ষাকে আরও আনন্দময় ও সহজ করে তোলে। বইয়ের পড়া শুধুমাত্র মুখস্থ না করে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পায় ছাত্র-ছাত্রীরা। পাশাপাশি পড়াশোনা নিয়ে ভীতি দূর হয়, বাড়ে আত্মবিশ্বাস ও মানসিক দৃঢ়তা। আদিবাসী অধ্যুষিত এই গ্রামীণ এলাকায় এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে শিক্ষার মানোন্নয়নে এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেবে।





