কিন্তু গ্রামের প্রশিক্ষণ শিবিরগুলি রয়ে গেছে অন্ধকারে। কোথাও মাথার উপর ছাদের অভাব, নেই কাঠের পাটাতন, ফলে প্রবল চোট পাওয়ার আশঙ্কা। এভাবেই ঝুঁকি নিয়ে চলছে অনুশীলন। প্রতিটি শিবিরে সরঞ্জামের দারুন অভাব। এভাবেই ঝুঁকি নিয়ে অনুশীলন তাতেই একের পর এক সাফল্য, হয়ত একটু সহযোগিতা পেলে আরও সাফল্য উঠে আসবে এই গ্রাম থেকে।
advertisement
গত কয়েক বছরে এই গ্রাম থেকে দারুণ সাফল্য। কমনওয়েলথ গেমসে অচিন্ত্য শিউলির সোনা জয়। জাতীয় পদক জয় করে শ্রাবণী দাস,বর্ষা বর। সম্প্রতি স্কুল গেমসে অনীক মুদি’র পদক জয়। আবারও দেশ জুড়ে চর্চায় পাঁচলার দেউলপুর গ্রাম। সাফল্য পেলে গোটা দেশ জয়ের আনন্দে গা ভাষায়। কিন্তু গ্রামের যে অনুশীলন কেন্দ্র থেকে একের পর এক সফলতা সেদিকে নজর পড়ে না কারও। এখানে উপযুক্ত পরিকাঠামো পেলে আরও বেশি সফলতা মিলবে বলেই আশাবাদী।
আরও পড়ুনঃ KKR vs PBKS: কেকেআরের ৫ বড় চিন্তা! পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে যা ভোগাতে পারে নাইটদের!
স্থানীয় প্রশিক্ষকদের কথায়, উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাব। পর্যাপ্ত সরঞ্জাম এবং পরিকাঠামো থাকলে সফলতা কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। পর্যাপ্ত সরঞ্জামের অভাব তো রয়েছে। মাথার উপর নেই ছাদ, বৃষ্টি এলে বন্ধ অনুশীলন। নেই কাঠের পাটাতন, যার ফলে প্রতিভাবান খেলোয়াড়রাও বারবার চোটের সম্মুখীন। ভারোউত্তোলনে সামনেই বড় বড় প্রতিযোগিতা রয়েছে। বহু উক্তি খেলোয়াড়ও তৈরি প্রায়। এই সময় সরকারিভাবে একটু সহযোগিতা পেলে হয়তো আরও বিশ্বমানের খেলোয়াড় গড়তে পারবে দেউলপুর এর শিবির গুলি।
রাকেশ মাইতি





