তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে শুভেন্দুর দাবি, পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়ন পর্বের সময়সূচি শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে’। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা সহ কমিশনের অন্যান্য আধিকারিকদের পাশাপাশি অধিকাংশ জেলায় এসপি এবং বিডিওরাও যুক্ত। কমিশন ও সরকারের ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁদেরও সিবিআই তদন্তের আওতায় আনা উচিত বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী। সামান্য লজ্জা থাকলে চেয়ার থেকে সরে যাওয়া উচিত বলে জানানোর পাশাপাশি নন্দীগ্রামে পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখে পদযাত্রায় অংশ নিয়ে নিউজ 18 বাংলা-র মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে বুধবার বলেন,’ বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ৫৩ টা বুথে আমাকে প্রচার করতে দেওয়া হয়নি। এবার সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। খেলা এবার আমি দেখাব’।
advertisement
আরও পড়ুন: ২০১৮ থেকে কতটা কমল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়? অনুব্রত না থাকলেও শীর্ষে সেই বীরভূম
কলকাতা হাইকোর্টের তরফে পঞ্চায়েত ভোটে নথি বিকৃত করার অভিযোগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশকেও স্বাগত জানিয়ে শুভেন্দু বলেন,’ মনোনয়ন পর্বে পুলিশ প্রশাসনের একাংশকে সাথে নিয়ে ব্যাপক কারচুপি করেছে কমিশন ‘। প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের থেকেও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচন করাতে হবে৷ রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে বুধবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট৷ ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটে নিরাপত্তার জন্য ৮৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল রাজ্যে৷
আরও পড়ুন: নজরে বিজেপি বিরোধী জোট, আজ পটনায় মমতা-অভিষেক
২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ৷ পাশাপাশি, এ দিন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ভর্ৎসনার মুখেও পড়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা৷ প্রধান বিচারপতি মামলার রায় দিতে গিয়ে বলেন, রাজ্য নির্বাচন কমিশন যদি আদালতের নির্দেশ কার্যকর করতে না পারেন তাহলে তিনি যেন পদ ছেড়ে দেন৷ তাঁর জায়গায় নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করবেন রাজ্যপাল৷
