সেরকমই বৃহস্পতিবার মেলারমঞ্চ মাতাতে দেখা যায় তাঁদের। এই প্রসঙ্গে বিশেষ ভাবে সক্ষম ছেলেমেয়েদের শিক্ষক খোকন হালদার বলেন, “মেলার এক দু’মাস আগে থেকে অনুষ্ঠানের জন্য অনুশীলন শুরু হয় । ওদের ভয় দেখিয়ে , মারধর করে কিছু শেখানো যাবেনা। ওরা যেটুকু শিখেছে ওদের ভালোবেসে শেখাতে হয়েছে । মেলার জন্য ওরা অধীর আগ্রহে থাকে ।” মঞ্চের সামনে মাঠ ভর্তি লোকজন, তবুও আবাসিকদের মনে কোনও ভয় নেই । তাঁরা বিশেষ ভাবে সক্ষম হলেও, তাঁদের মন মেজাজ সম্পুর্ণ ভিন্ন ধরনের। রীতিমত অনুষ্ঠান করার জন্য তাঁদের মধ্যে এক ব্যাপক পরিমাণ উৎসাহ লক্ষ্য করা যায় । জানা যায়, প্রতিবছর এই মেলা শুরু হওয়ার কয়েক মাস আগে থেকেই জোর কদমে চলে আবাসিকদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের অনুশীলন।
advertisement
আরও পড়ুন : লেখাপড়ার বড্ড শখ, খরচ যোগাতে ওরা যা করছে জানলে চমকে উঠবেন
মেলাতে অনুষ্ঠান করার জন্য অধীর আগ্রহে থাকে এখানকার বিশেষভাবে সক্ষম বেশ কিছু ছেলেমেয়ে । ওদের মধ্যেলতা ও গোপাল জানায়, তাঁদের অনুষ্ঠান করতে ভয় লাগেনা। অনুষ্ঠান করতে ভালই লাগে । তাঁদের খোকন স্যার নাচ শিখিয়েছে । এর আগেও তাঁরা অনুষ্ঠান করেছে ।এই আনন্দনিকেতন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ডাঃ হরমোহন সিংহ। তিনি এক সময় কাটোয়ার দাপুটে বিধায়ক ছিলেন। তিনিই ১৯৮৮ সালে গড়ে তোলেন সমাজের উপেক্ষিত, অবহেলিত নাগরিকদের জন্য এক বিরাট পুনর্বাসন কেন্দ্র, যার নাম দেন ‘আনন্দ নিকেতন’।
আরও পড়ুন : এত্ত বড় সরস্বতী! কোথায় গেলে পাবেন দেখা?
শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে বিশেষভাবে সক্ষম মানুষএখানকার মুক্ত প্রাঙ্গনে নিজেদের পিছিয়ে পড়া বলে মনে করেন না। নিজেদের মতোকরে তাঁরা জীবন যাপন করেন এই সোসাইটিতে। এই সোসাইটির বর্তমান সম্পাদকসুব্রত সিনহা বলেন , পুনর্বাসন কেন্দ্রের যে বীজ ডাঃ হরমোহন সিংহ বপন করেছিলেন তা আজ মহীরূহে পরিণত হয়েছে।
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
তাঁর তৈরি করা এই প্রতিষ্ঠান আজও মাথা উঁচু করে বিশেষ ভাবে সক্ষম ছেলে মেয়েদের নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে ।
বনোয়ারীলাল চৌধুরী





