পাঠ ও বাঁশের কুচি দিয়ে প্রথমে চৌডলের কাঠামো তৈরি করা হয়। এরপর কাগজ, রং ও নানা লোকজ নকশার মাধ্যমে তা নিপুণভাবে সাজিয়ে তোলা হয়। এই চৌডল নির্মাণ শুধুমাত্র একটি শিল্পকর্ম নয়, বরং গ্রামীণ জীবনের সরলতা, সৌন্দর্য ও লোকবিশ্বাসের এক অনন্য প্রকাশ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই শিল্পচর্চা আজ তাঁদের কাছে কেবল জীবিকার উৎস নয়।
advertisement
এই উৎসব একইসঙ্গে লোকসংস্কৃতির প্রতি গভীর ভালবাসা, শ্রদ্ধা ও দায়িত্ববোধের প্রতীক। লাইকডি গ্রামের টুসু চৌডল কারিগর রাহুল যোগী ও পরান বাউরি জানান, “পুরুলিয়ার এই ঐতিহ্য আমাদের পূর্বপুরুষেরা ধরে রেখে গিয়েছেন। আমরাও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই। বাড়িতেই চৌডল তৈরি করে আমরা বাজারে বিক্রি করি, আর এর চাহিদাও যথেষ্ট ভাল।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাদের নিপুণ হাতে তৈরি টুসু চৌডলে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে গ্রামীণ জীবনের সরলতা, সৌন্দর্য ও মানুষের বিশ্বাসের গভীরতা। আজও আধুনিকতার প্রভাব এড়িয়ে প্রাচীন রীতিনীতি ও লোকাচার মেনেই গ্রামের শিল্পীরা টুসু নির্মাণ করে চলেছেন। তাঁদের নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও ঐতিহ্যরক্ষার এই নিরলস প্রয়াস পুরুলিয়ার লোকসংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত করে তুলছে।





