এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফুলচাঁদ মাহাতো জানান, নিজস্ব ভবন না থাকার কারণে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন কমিউনিটি হলে বিদ্যালয় চলত। কিন্তু সেখান থেকে চাঁদার জন্য জোর করা হচ্ছে। তাতেই কোন উপায় না পেয়ে অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক দফতরেই এই স্কুলটি স্থানান্তরিত করা হয়েছে আপাতত। স্কুলে প্রায় ৪১ জন পড়ুয়া রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: সন্ধেতে আর বাঘের ভয় নয়! গ্রামবাসীদের জন্য অভিনব ব্যবস্থা নিল বন দফতর
এ বিষয়ে ঝালদা তিন নম্বর চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সিদ্ধার্থ মাহাতো বলেন, এই বিদ্যালয় চলা নিয়ে বেশ কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছিল। জোরপূর্বক চাঁদা চাওয়া হচ্ছিল। তাই বাধ্য হয়ে এই বিদ্যালয়কে আপাতত তাদের অফিসেই একটি কক্ষেই চালানো হচ্ছে। সেখানেই হচ্ছে মিড ডে মিলের রান্না। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে আশা করা যাচ্ছে সমস্যা দ্রুত সমাধান মিলবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবন না থাকায় নানা সমস্যার মধ্যে পড়তে হত পড়ুয়াদের। তার মধ্যে এইভাবে অবর বিদ্যালয়ের পরিদর্শক দফতরে বিদ্যালয় স্থানান্তরিত হওয়ায় বেশ খানিকটা চিন্তার মধ্যে রয়েছেন অভিভাবকেরাও। সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশায় রয়েছেন তারা।
শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি





