দীর্ঘদিন মানুষ যাতায়াত না করার ফলে জঙ্গল পরিপূর্ণ হয়েছে পথসাথীর ভিতরেও। বর্তমানে এই পথসাথীর অবস্থা অত্যন্ত বেহাল। আগাছায় পরিপূর্ণ। খুলে খুলে পড়ছে পথসাথীর বাইরের দেওয়ালের প্লাস্টার। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সন্ধে নামতেই সমাজ বিরোধীদের দৌরাত্ম বাড়ে এই এলাকায়। করোনা সময়কালে কিছুদিনের জন্য এই পথসাথীতে রোগীদের রাখার ব্যবস্থা হয়েছিল কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে। প্রথমদিকে কয়েকটি সরকারি অনুষ্ঠান ও মিটিং এখানে সরকারি উদ্যোগে গ্রহণ করা হয়েছিল কিন্তু ওখানেই শেষ। যেহেতু জাতীয় সড়ক বা রাজ্য সড়কের পাশে এই পথসাথী পড়ে না। তাই পথ চলতি ড্রাইভার বা যাত্রীদের আসার প্রশ্ন উঠে না। প্রথম থেকেই এই পথসাথী সেভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি বা তার লক্ষ্যে কাজও করতে পারেনি।
advertisement
আরও পড়ুন: স্কুলে নেই পড়ুয়া-শিক্ষক! নিজের ভেবে গোপনে গোপনে অনেকেই করে যায় অনেককিছু
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শেষবার কবে এই পথসাথী খোলা হয়েছিল তা তাদের মনে নেই। কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে এমন জায়গায় পথসাথী নির্মাণ করা হল কেন? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সকলে। অবশ্য সরকার পক্ষের দাবি, পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে দ্রুত এই পথসাথীকে আবার চালানোর প্রচেষ্টা করা হবে। তবে জঙ্গলে পরিপূর্ণ এই পথসাথী কবে আবার চালু হবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন তপন ব্লকের বাসিন্দারা।
সুস্মিতা গোস্বামী





