প্রতি বছরই মাঘী পূর্ণিমায় জিয়াগঞ্জ ও আজিমগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ঘাটে ঘাটে ভিড় হয়। এই বছর সেই সংখ্যাটা আরও বেড়েছে। ঝাড়খণ্ড, বিহার, ওড়িশা, বীরভূম সহ আশেপাশের প্রতিবেশী জেলাও রাজ্য থেকে পুণ্যার্থীরা দল বেঁধে আসেন। তাঁদের থাকা-খাওয়া সহ যাবতীয় বন্দোবস্ত করে জিয়াগঞ্জ আজিমগঞ্জ পৌরসভা। এবারও একই আয়োজন হয়েছে।
advertisement
বিহার, ঝাড়খণ্ডের একাংশ সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে দু’দিন ধরে ৫০-৬০ হাজার মানুষের সমাগম হয়। সেখানে জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পৌরসভার তরফ থেকে তাঁদের থাকার জন্য যেমন অস্থায়ী বাসস্থান তৈরি করা হয়, তেমনই পুর কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে দু’বেলা খাওয়ানোর ব্যবস্থাও করা হয়। এই পুণ্যস্নান ঘিরে মেলাও বসেছে। সেখান থেকে সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটায় ব্যস্ত পুণ্যার্থীরা।
রবিবার থেকে শুরু করে সোমবার পর্যন্ত এই স্নান চলবে। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তৎপর পুলিশ, রেল পুলিশ, দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। মেডিক্যাল ক্যাম্পও রয়েছে। পূর্ণিমা উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও গঙ্গার ঘাটে থাকে বিশেষ ব্যবস্থা, নজরদারি। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীদের নামানো হয়। এছাড়াও নেওয়া হয় একাধিক ব্যবস্থা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থলপথ ও জলপথে চলে নজরদারি। পুণ্যস্নান সেরে পুণ্যার্থীরা যাতে সুষ্ঠুভাবে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেই দিকে নজর রেখেছে প্রশাসন। পুণ্যার্থীদের আসা ও যাওয়ার সুবিধার্থে বাড়ানো হয় পরিবহণের সংখ্যা। লালবাগ এসডিপিও অকলকার রাকেশ মহাদেব বলেন, “মাঘী পূর্ণিমায় গঙ্গায় স্নান একটি রীতি, উৎসব। প্রচুর মানুষের সমাগম হয়েছে। সুষ্ঠভাবে যাতে সবটা হয় সেক্ষেত্রে কড়া ব্যবস্থা থাকে। ঘাটে ঘাটে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড থাকে। বোটে করে পেট্রলিং করেন সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা। সচেতনতার ক্ষেত্রে মাইকিং হয়।” সব মিলিয়ে, মাঘী পূর্ণিমার গঙ্গাস্নান ঘিরে এক ‘সম্প্রীতির মিলনক্ষেত্রে’ পরিণত হয়েছে জিয়াগঞ্জ–আজিমগঞ্জ।





