আরও পড়ুন: পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু সিভিক ভলেন্টিয়ারের, আহত আরও ১
স্কুলের টিচার ইনচার্জ মসিউর রহমান মোল্লার হাত ধরে গত ১০ বছরে সম্পূর্ণ বদলে গেছে কুলতলির এই প্রাথমিক বিদ্যালয়। উন্নতি হয়েছে স্কুলের পরিকাঠামোর। সম্প্রতি সেই তাঁরই অন্য স্কুলে বদলির নির্দেশ এসেছে। কিন্তু তাঁকে ছাড়তে মোটেও রাজি নয় পড়ুয়া ও অভিভাবকরা। স্কুলের এক অভিভাবক বিলকিস গাজি বলেন, নিজের সন্তানের মত সব ছাত্রকে দেখেন স্যার। আরেক অভিভাবক আজিজুল হাসান লস্কর বলেন, মসিউর স্যার আসার পর বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের পঠন-পাঠনের মান বেড়েছে।এলাকারই বাসিন্দা মিজানুর রহমান গাজির বক্তব্য, এলাকায় শিক্ষার পরিবেশ ফিরছে। গ্রামের সব ছেলেরাই মসিউর স্যারের জন্য রোজ স্কুলে যায়।
advertisement
আরও খবর পড়তে ফলো করুন:
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
অভিভাবক শামসুল হাসান মোল্লা জানান স্কুল ছুটি থাকলেও এলাকায় এসে ছাত্রছাত্রীদের খোঁজ নিয়ে যান হেড স্যার। স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবক নুর মহিম মোল্লা জানান, শুধু পড়াশোনা নয়, ছাত্রছাত্রীদের পুষ্টির দিকেও কড়া নজর আছে স্যারের। এমন শিক্ষককে কেউই হাতছাড়া করতে চায় না। স্কুল ছাড়তে চাইছেন না মসিউর স্যারও। তিনিও চান থেকে যেতে। কিন্তু সরকারি নিয়ম মানতেই হবে। স্কুলের অভিভাবকদের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে স্কুল পরিদর্শকের অফিসে শিক্ষকের বদলি রুখতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। স্কুলেরই দুই শিক্ষক জয়দীপ মজুমদার ও মুরারী মোহন হালদার জানান, অভিভাবকদের বিক্ষোভের জেরে বুধবার ক্লাস হয়নি। সরকারি নির্দেশিকা তাঁদের বোঝার কথা নয়, তবু বোঝানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন মসিউর স্যার। এখন গোটা বিষয়টা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হাতে।
সুমন সাহা






