এই অভিযানের নাম অপারেশন সিঁদুর রাখা হয়। এই অপারেশনে অংশগ্রহণ করেন ভারত মাতার বীর সন্তান মিলন কুমার খাঁ, যিনি চাকদহ তাতলা-২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের সুমলিয়া সালসাড়া গ্রামের বাসিন্দা। অপারেশন শেষে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন তিনি। বাড়িতে পৌঁছনোর পর পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে চাকদহ চৌমাথা মোড়ে তাঁকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: গভীর নিম্নচাপ, বৃষ্টি আরও বাড়বে বাংলায়! ভাসবে ৬ জেলা, আবহাওয়ার বড় আপডেট
advertisement
ফুলের মালা ও শঙ্খের ধ্বনি এবং ঢাকের আওয়াজে এলাকার সাধারণ মানুষ তাঁকে বরণ করে নেন। এই সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েতের প্রধান, মিলন কুমারের পরিবারের সদস্যরা এবং পাড়া-প্রতিবেশীরা। নিজের বাড়িতে নিজের কাছের মানুষের কাছে ফিরলেন। ঘরের বীর জওয়ান ফেরার আনন্দে মাতোয়ারা নদিয়ার চাকদহবাসী। অতঃপর অপারেশন সিঁদুরের বীর সৈনিক মিলন কুমার খাঁ যুদ্ধের ময়দানে প্রত্যেক পদে পদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উপযুক্ত জবাব দিয়েই, নিজের জন্মভূমি তথা চাকদহের বুকে পা রাখলেন।
আরও পড়ুন: রেলের প্ল্যাটফর্মে এ কী ‘অসভ্য’ আচরণ! যাত্রীদের গায়ে জানালা দিয়ে কী ছুঁড়ল যুবক? RPF ধরল, তারপর?
এদিন তাঁকে স্বাগত জানাতে জাতীয় পতাকা-সহ হাজির হয়েছিলেন চাকদহ শহরবাসী। তিনি যুদ্ধ কালীন পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা জানালেন, তিনি বলেন অপারেশন সিঁদুরের মিশনের কথা তাঁরা আগে থেকেই জানতেন। ওপর মহল থেকে তাঁদের আগে থেকেই এই বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সাধারণ মানুষের কাছে সম্পূর্ণ মিশনটি গোপন রাখা হয়েছিল দেশের স্বার্থে।
এরপর তাঁরা তাঁদের মিশন সম্পূর্ণ করে সফলভাবে। শত্রুর ঘাঁটি একের পর এক ধ্বংস করা হয়। এবং পহেলগাঁওয়ে যে সমস্ত পর্যটকদের হত্যা করা হয়েছিল তাঁদের এবং তাঁদের পরিবারের প্রতি এই মিশনের মাধ্যমেই যথাযথ মর্যাদা দেয় ভারত সরকার। স্বাভাবিক ভাবেই এলাকায় এমন এক বীর জওয়ান দেশের জন্য নিজের জীবন বিপন্ন করে যুদ্ধ করে ফিরে এসেছেন এই গর্বে গর্বিত গোটা চাকদহবাসী।
Mainak Debnath





