স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বছর ২৮-এর মহিবুল্লাহ মোল্লা তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে ডাক্তার দেখিয়ে অটোতে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন। সামান্য অসাবধানতায় চলন্ত অটো থেকে ছিটকে পড়েন মহিবুল্লাহ। ঠিক সেই সময় উলটোদিক থেকে দ্রুতগতিতে ছুটে আসা একটি বাস পিষে দেয় যুবককে। বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে গুরুতর জখম হন মহিবুল্লাহ। স্থানীয়রা তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে মিনাখা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
advertisement
চরম মানসিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েন গর্ভবতী স্ত্রী। স্বামীর নিথর দেহের পাশে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীকে হারিয়ে দিশেহারা মহিবুল্লাহর পরিবার। এই আকস্মিক মৃত্যুর খবরে গোটা ছয়য়ানি এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। অনাগত সন্তানের জন্য স্বপ্ন বুনছিলেন তিনি—কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই থেমে গেল জীবনের পথচলা। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ফের একবার প্রশ্ন তুলে দিল পথ নিরাপত্তা ও বেপরোয়া গতির বিরুদ্ধে। একটি অসতর্ক মুহূর্ত যে কত বড় সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে, তারই করুণ সাক্ষী হয়ে রইল মিনাখার ছয়য়ানি এলাকা।
