পুণ্যস্নানের পর কপিলমুনির মন্দিরে পুজো দেওয়ার লম্বা লাইন পড়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুণ্যার্থীদের জন্য শৌচালয়, যাত্রীনিবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সুন্দরবন পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বিদেশে চাকরির নাম করে ভিসা জালিয়াতি! লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, উস্থি পুলিশের জালে ৩

advertisement

মকর সংক্রান্তির পর মাঘী পূর্ণিমায় সাগরে সবচেয়ে বেশি পুণ্যার্থীর সমাগম হয়। গত কয়েক বছর এক লক্ষেরও অধিক পুণ্যার্থীর সমাগম হয়েছে। এবার ভিড় আরও বাড়বে বলে ধারণা প্রশাসনের।

View More

এই প্রসঙ্গে সাগরের বিডিও কানহাইয়া কুমার রায় জানান, অন্যান্যবারের তুলনায় এই বছর পুণ্যার্থীর ভিড় অনেক বেশি। সেকথা মাথায় রেখেই এবার আলো, টয়লেট, বার্জ ও ভেসেল পরিষেবা বাড়ানো হয়েছে। মাঘী পূর্ণিমার স্নান উপলক্ষে এই বছর কচুবেড়িয়া, গঙ্গাসাগর ও বেনুবনে টয়লেটের সংখ্যা বাড়িয়ে ৭০০টি করা হয়েছে। গতবার এই সংখ্যা ছিল ৩৫০-এর কিছু বেশি। এছাড়াও গঙ্গাসাগরে যাতায়াতের জন্য মুড়িগঙ্গা নদী পারাপার করতে ১২টি ভেসেল ও দু’টি বার্জ রয়েছে।

advertisement

কচুবেড়িয়া থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য ৪০টি বেসরকারি বাসের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সমস্ত স্নানের ঘাট, সমুদ্র সৈকতের ২ নম্বর রাস্তা ও কে-ওয়ান বাসস্ট্যান্ডে হাইমাস্ট লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রয়েছে বাফার জোনও। সমুদ্রতট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে সাগর প্রহরীদের রাখা হয়েছে।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

advertisement

১, ৪ ও ৫ নম্বর স্নানঘাটে পুণ্যার্থীদের সুরক্ষায় ২০০-এরও বেশি সিভিল ডিফেন্স কর্মী ও পুলিশকর্মীরা রয়েছেন। স্নানের ঘাটগুলিতে, কপিলমুনির মন্দিরের সামনে, কে-ওয়ান বাসস্ট্যান্ড ও আরও কিছু এলাকায় নজরদারিতে রাখা হয়েছে ১৫টি সিসি ক্যামেরা। মোট ১০০০ জন পুলিশকর্মীকে গঙ্গাসাগর, কচুবেড়িয়া ও বেনুবন এলাকায় তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে। এছাড়াও রয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। সমুদ্রসৈকত ও কপিলমুনির মন্দির সংলগ্ন এলাকা জুড়ে চলছে কড়া পুলিশি নজরদারি।

advertisement