যেখানে ক্রেতা কিংবা বিক্রেতা সকলেই বিদ্যালয়ে ছাত্রী। ফুচকা, চাউমিন, এগরোল, মোমো হোক কিংবা আলু কাবলি, ঘুগনি অথবা পায়ের পিঠেপুলি সবটাই পরিবারের অভিজ্ঞদের সহযোগিতায় স্কুলে রান্না করে নিয়ে এসেছে অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর আগ্রহী এবং এ বিষয়ে পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত ছাত্রীরা। তবে শুধু খরচ তুলতে নয়, প্রবল এই শীতের মধ্যে ঠান্ডা জলে হাত চুবিয়ে কিংবা প্রচন্ড গরমে গলদঘর্মে পরিবারের মা দিদিরা কিভাবে খাদ্য প্রস্তুত করেন।
advertisement
আরও পড়ুন: চোখধাঁধানো সৌন্দর্য, শুশুনিয়ার সমান আনন্দ পাবেন এখানেও! পর্যটকদের কাছে আজও অচেনা এই রত্ন
কিংবা বাবা দাদারা কিভাবে অর্থ উপার্জন করেন, তার প্রকৃত অনুভূতি এবং উপলব্ধি করতে সামান্য অর্থের বিনিময়ে বিক্রি হয়েছে খাবার। কিনছেন শিক্ষিকাগণ কিংবা, আগ্রহী অভিভাবকরাও। অভিভাবকরা জানাচ্ছেন, মাঝেমধ্যে এ ধরনের উদ্যোগ পরিবার সদস্যদের প্রতি তাদের সন্তানদের আরও ধৈর্যশীল কর্মঠ এবং সৃজনশীল করে তুলেছে। যা এ সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র-ছাত্রীরাও জানাচ্ছেন, তাদের অনেকেরই আগ্রহের বিষয় হলেও পরিবার কখনও তাদের করতে দেন না।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে এক্ষেত্রে তারা সকলের প্রশংসায় গর্বিত। একদিন আগে থেকে পরিশ্রম করেও তারা খুশি। শিক্ষিকারা জানাচ্ছেন, পরিবেশের কথা মাথায় রেখে খাবার পরিবেশন কাগজের কিংবা শালপাতার ঠোঙায় প্লাস্টিক কোনওভাবেই ব্যবহৃত হচ্ছে না। এমনকি হাইজিন বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তাই মাথার টুপি, গ্লাভস, মুখে মাস্ক ব্যবহার করছে ছাত্রীরা। তবে খাবারের একটি সুন্দর প্রদর্শনও তাদের সৃজনশীলতার পরিচয় দেয়। আর সবকিছু তারা আনন্দের সঙ্গে করেছে, যা তাদের আগামীতে নিজের কাজ নিজের করে নেওয়ার প্রবৃত্তি বাড়ায়।





