চাঞ্চল্যকর ভাবে একই ফোন নম্বর যুক্ত আছে চার-পাঁচজনের নামে, যা খোঁজ করতে গিয়ে বিস্মিত হয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান থেকে শুরু করে সদস্যরা। গত লোকসভা ভোটে পঞ্চায়েত এলাকার ভোটার সংখ্যা ছিল সাড়ে ১৮ হাজার থেকে ১৯ হাজার। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়।তাতে দেখা গিয়েছে ভোটার বেড়ে হয়ে গিয়েছে ২২ হাজার ৪০০। এরপর স্কুটিনি করতে গিয়ে ভুতুড়ে ব্যাপার হয়েছে। পঞ্চায়েতের ২২টি সংসদের মধ্যে কোনও বুথে বেড়ে গিয়েছে ২০০ ভোটার। আবার কোনও বুথে বেড়েছে ৩০০ ভোটার।
advertisement
ভোটার তালিকা ধরে স্কুটিনি করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে পঞ্চায়েতের ৪১ নম্বর বুথে গত লোকসভা ভোটে ভোটার সংখ্য্যা ছিল ১০৫৩ জন। এবার তা অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়ে ১৩৫৭ জন হয়েছে।যাঁদের এলাকায় কোনও অস্তিত্ব নেই। এদের কারোর বয়স ৬৬ বছর, কারোর বা ৬০ বছর বয়স। বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন দিল্লি নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেছেন ভুয়ো ভোটার রয়েছে, আমার অনেক দিন আগে থেকে বলছি বাংলায় প্রতি বুথে ৩০ থেকে ৪০ জন ভুয়ো ভোটার রয়েছে, ভুতুড়ে ভোটার দ্বারা ভুতুড়ে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়া মুখ্যমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । সরকারকে এটা দেখা উচিত।
ভারতীয় জনতা পার্টির যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মনোরঞ্জন জোরদার, বলেন হঠাৎ করে একটি গ্রাম পঞ্চায়েতে পাঁচ হাজার ভোটার বেড়েছে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন দেখা উচিত নির্বাচন কমিশনের দ্বারা মনোনীত লোকই ভোটার লিস্টের কাজ করেন স্বচ্ছ নির্বাচন করতে ভুয়ো ভোটারের তালিকা বাদ দিক সরকার।
আরও পড়ুন-বিরাট দুঃসংবাদ! চলে গেলেন বাংলার গর্ব ভারতী ঘোষ, কিংবদন্তির মৃত্যুতে শোকের ছায়া ক্রীড়া মহলে
চম্পাহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অসিত বরণ মন্ডল বলেন অস্বাভাবিকভাবে ভোটার তালিকার নাম বেড়েছে বিষয়টি নজরে আসতেই প্রত্যেক সদস্যকে বলা হয়েছে তাদের নিজস্ব ভোটার লিস্ট খতিয়ে দেখে গ্রামের মানুষজনের সঙ্গে কথা বলে ভুয়ো ভোটারদের নাম বের করার জন্য এর পিছনে বিরোধীরা চক্রান্তের অভিযোগ এনেছেন তিনি পাশাপাশি এ নিয়ে আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেন প্রধান অসিত বরন মন্ডল।
সুমন সাহা






