রাজ্যের প্রান্তিক ও গ্রামীণ এলাকাগুলিতে দরিদ্র, দিনমজুর শ্রেণীর মানুষের মধ্যেও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে সুগার ও হাই ব্লাড প্রেসারের মত রোগ। এর আগেও আসানসোলের একটি প্রান্তিক অঞ্চলে স্বাস্থ্য শিবির চলাকালীন এই ধরনের অসংক্রামক রোগের উপস্থিতি চোখে পড়েছিল। এবার একই রকম চাঞ্চল্যকর চিত্র ধরা পড়ল পুরুলিয়া জেলার রঘুনাথপুরের প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায়।
advertisement
কেন্দ্রীয় সরকারের একটি প্রকল্পের আওতায় কলকাতার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘কলকাতা মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউট অফ জেরন্টোলজি’ এবং আসানসোলের বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা ফুড এডুকেশন ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সহযোগিতায় রঘুনাথপুরে জয়চণ্ডী পাহাড়ের পাদদেশে একটি বিশেষ স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়।
রঘুনাথপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই শিবিরে প্রায় শতাধিক প্রান্তিক এলাকার মানুষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করেন। যেখানে উপস্থিত ছিলেন, কলকাতা মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউট অফ জেরন্টোলজির নেতৃত্বে থাকা ইপ্সিত চক্রবর্তী ও সমাজসেবী চন্দ্রশেখর কুণ্ডু, অমিত বাউরি-সহ অন্যান্যরা।
শিবিরে অংশগ্রহণকারী বহু মানুষের শরীরে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের লক্ষণ ধরা পড়ে, যা চিকিৎসক ও গবেষকদের যথেষ্ট উদ্বিগ্ন করেছে। বিষয়টি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, শুধুমাত্র শারীরিক পরিশ্রমই সুস্থ থাকার একমাত্র মানদণ্ড নয়।
খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ, সচেতনতার অভাব ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অনুপস্থিতিও এই রোগ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এই ধরনের স্বাস্থ্য শিবির ও গবেষণা ভবিষ্যতে প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।





