TRENDING:

East Bardhaman News: গ্রামবাসীদের হাড়ভাঙা কষ্টের টাকায় কেনা জমিতে তৈরি স্কুল ৪ বছর ধরে বন্ধ, কষ্টে পড়ুয়ারা

Last Updated:

গ্রামবাসীদের হাড়ভাঙা কষ্টের টাকায় কিনে দেওয়া জমিতে গড়ে ওঠা বিদ্যালয় বর্তমানে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
পূর্ব বর্ধমান: প্রায় চার বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে সরকারি বিদ্যালয়। বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে কয়েক কিলোমিটার দূরে অন্য বিদ্যালয়ে যেতে হয় স্থানীয় পড়ুয়াদের। পুনরায় বিদ্যালয় যাতে চালু হয় সেই দাবি জানাচ্ছেন স্থানীয়রা। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী দুই ব্লকের সরডাঙ্গা গ্রামে রয়েছে সরডাঙ্গা জুনিয়র হাই স্কুল। এই বিদ্যালয়ই বন্ধ হয়ে রয়েছে চার বছরের বেশি সময় ধরে। স্থানীয়দের কথায়, এলাকায় যাতে বিদ্যালয় হয় সেই কারণে স্থানীয়রা উদ্যোগী হয়েছিলেন। চাঁদা তুলে বিদ্যালয় তৈরির জন্য জমি কিনে তা সরকারকে হস্তান্তর করেছিলেন। তারপর ২০১০ সাল নাগাদ সরকারি অনুদানে তৈরি হয়েছিল এই বিদ্যালয়।
advertisement

তবে ২০২০ সালের পর থেকে বন্ধ হয়ে রয়েছে বিদ্যালয়। এই প্রসঙ্গে গ্রামের বাসিন্দা জগন্নাথ মণ্ডল জানিয়েছেন, “শিক্ষকের অভাবে বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে রয়েছে। আমরা পুনরায় বিদ্যালয় চালু করার দাবি জানাচ্ছি। এর ফলে এলাকার পড়ুয়াদের অনেক সুবিধা হবে। গ্রামবাসীদের হাড়ভাঙা কষ্টের টাকায় কিনে দেওয়া জমিতে গড়ে ওঠা বিদ্যালয় বর্তমানে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে।” গ্রামবাসীদের কথায়, শুধুমাত্র শিক্ষক না থাকার কারণেই বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে বন্ধ হয়ে রয়েছে এই বিদ্যালয়। বর্তমানে স্থানীয় ছাত্র-ছাত্রীদের বাধ্য হয়ে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পড়তে যেতে হয়।

advertisement

আরও পড়ুন: পথের ধারে সারি সারি ঘর-বাড়ি-মন্দির আজ শূন্য! সাজানো অথচ জনহীন গ্রাম যেন হাঁ করে গ্রাস করতে আসছে! কারণ জানলে থ’ হয়ে যাবেন

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

এই বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত বহু পড়ুয়া ছিল। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এনে বিদ্যালয়ে পড়াশোনাও চালানো হত। কিন্তু পরবর্তীতে একজন অতিথি শিক্ষক মারা যাওয়ার পরই বিদ্যালয়ের জন্য আর কোনও শিক্ষক পাওয়া যায়নি। ফলে বাধ্য হয়েই শিক্ষক না থাকার কারণে বন্ধ হয়েছে বিদ্যালয়। এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয় পরিদর্শক কৃষ্ণকান্ত কীর্তনীয়া জানিয়েছেন, “স্কুলের শিক্ষক না থাকার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, তাদের তরফে সদুত্তর মিললেই স্কুলটি পুনরায় চালু হবে।” বর্তমানে গ্রামবাসীরা চাইছেন অতি দ্রুত পুনরায় চালু হোক এই বিদ্যালয়। বিদ্যালয় চালু হলে এলাকার বহু পড়ুয়ার অনেক সুবিধা হবে। কষ্ট করে আর পড়ুয়াদের অন্য জায়গায় বিদ্যালয়ে যেতে হবেনা।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
ভগবানের মতো এগিয়ে এল সিভিক ভলান্টিয়ার, ঠাণ্ডায় কুঁকড়ে যুবককে উদ্ধার করে ফেরাল পুলিশ
আরও দেখুন

বনোয়ারীলাল চৌধুরী

বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
East Bardhaman News: গ্রামবাসীদের হাড়ভাঙা কষ্টের টাকায় কেনা জমিতে তৈরি স্কুল ৪ বছর ধরে বন্ধ, কষ্টে পড়ুয়ারা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল