তবে ২০২০ সালের পর থেকে বন্ধ হয়ে রয়েছে বিদ্যালয়। এই প্রসঙ্গে গ্রামের বাসিন্দা জগন্নাথ মণ্ডল জানিয়েছেন, “শিক্ষকের অভাবে বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে রয়েছে। আমরা পুনরায় বিদ্যালয় চালু করার দাবি জানাচ্ছি। এর ফলে এলাকার পড়ুয়াদের অনেক সুবিধা হবে। গ্রামবাসীদের হাড়ভাঙা কষ্টের টাকায় কিনে দেওয়া জমিতে গড়ে ওঠা বিদ্যালয় বর্তমানে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে।” গ্রামবাসীদের কথায়, শুধুমাত্র শিক্ষক না থাকার কারণেই বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে বন্ধ হয়ে রয়েছে এই বিদ্যালয়। বর্তমানে স্থানীয় ছাত্র-ছাত্রীদের বাধ্য হয়ে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পড়তে যেতে হয়।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত বহু পড়ুয়া ছিল। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এনে বিদ্যালয়ে পড়াশোনাও চালানো হত। কিন্তু পরবর্তীতে একজন অতিথি শিক্ষক মারা যাওয়ার পরই বিদ্যালয়ের জন্য আর কোনও শিক্ষক পাওয়া যায়নি। ফলে বাধ্য হয়েই শিক্ষক না থাকার কারণে বন্ধ হয়েছে বিদ্যালয়। এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয় পরিদর্শক কৃষ্ণকান্ত কীর্তনীয়া জানিয়েছেন, “স্কুলের শিক্ষক না থাকার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, তাদের তরফে সদুত্তর মিললেই স্কুলটি পুনরায় চালু হবে।” বর্তমানে গ্রামবাসীরা চাইছেন অতি দ্রুত পুনরায় চালু হোক এই বিদ্যালয়। বিদ্যালয় চালু হলে এলাকার বহু পড়ুয়ার অনেক সুবিধা হবে। কষ্ট করে আর পড়ুয়াদের অন্য জায়গায় বিদ্যালয়ে যেতে হবেনা।
বনোয়ারীলাল চৌধুরী





