ফলে শিশুদের পাতে উঠছে টাটকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার। স্কুল কর্তৃপক্ষের মতে, এই উদ্যোগ একদিকে যেমন পুষ্টিকর খাবার দিচ্ছে, তেমনই পড়ুয়াদের বাস্তব জীবনের সঙ্গে শিক্ষা যুক্ত করছে। বিদ্যালয়ের কিচেন গার্ডেন পরিচর্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পড়ুয়াদেরই। টিফিনের ফাঁকেই নিয়মিত বাগানের পরিচর্যা করে তারা।
advertisement
কখনও আগাছা পরিষ্কার, কখনও জল দেওয়া, আবার কখনও ফসল তোলার কাজ করছে পড়ুয়ারা। এতে তারা কৃষিকাজ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা পাচ্ছে। বইয়ের পাতায় শেখা বিষয়গুলো বাস্তবে দেখে বুঝতে পারছে। পাশাপাশি শ্রমের গুরুত্ব ও দলগত কাজের শিক্ষা নিচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা। শিক্ষকরা মনে করছেন, এই অভিজ্ঞতা পড়ুয়াদের জীবনে বাস্তবে কাজে লাগবে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ কাস্ত জানান, শুধু বড় ক্লাসের পড়ুয়ারাই নয়, ছোট ক্লাসের পড়ুয়ারাও এই উদ্যোগে যুক্ত। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষক পবিত্র ভূঞ্যা, অরুপ করণ এবং উমাপদ সাউয়ের তত্ত্বাবধানে বাগানের কাজে অংশ নিচ্ছে। ছোটদের জন্য কাজগুলো সহজ করে দেওয়া হয়েছে। তারা গাছ চিনতে শেখছে। বীজ থেকে কীভাবে গাছ বড় হয়, তা নিজের চোখে দেখছে। এতে শিশুদের কৌতূহল বাড়ছে। প্রকৃতির সঙ্গে তাদের বন্ধনও দৃঢ় হচ্ছে। পড়াশোনার পাশাপাশি এমন শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে পড়ুয়াদের আগ্রহও বাড়ছে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই কিচেন গার্ডেনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হল মিড-ডে মিলের জন্য প্রয়োজনীয় আনাজ স্কুল থেকেই পাওয়া যাচ্ছে। এতে খরচ যেমন কমছে, তেমনই খাবারের মানও ভাল হচ্ছে। জৈব সার ব্যবহার করে এবং বাজার থেকে কেনা ভাল মানের বীজ দিয়ে চাষ করা হচ্ছে। কোনও ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে না। ফলে পড়ুয়াদের পাতে পৌঁছচ্ছে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও কীটনাশক-মুক্ত সবজি। স্কুল কর্তৃপক্ষের আশা, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই কিচেন গার্ডেন গড়ে তোলা হবে।





