মেড়তলা পঞ্চায়েতের দক্ষিণ সাজিয়াড়া গ্রামে বসতবাড়ি লাগোয়া ওই অফিস ঘরটি দীর্ঘদিন ধরেই বেদখল অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে ছাগল ও গরু রাখছেন। একই সঙ্গে পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি সরকারি সবজি সংরক্ষণ হিমঘর।
advertisement
কালেখাঁতলা-১ পঞ্চায়েতের অধীনে ফলেয়া স্টেশন সংলগ্ন ৮ কাঠা জমিতে ২০০৬-০৭ সালে পূর্ব বর্ধমান-২ রেঞ্জ সমবায়ের উদ্যোগে এই হিমঘরটি তৈরি হয়। উদ্দেশ্য ছিল চাষিদের অবিক্রিত সবজি সংরক্ষণ করে লোকসান রোধ করা। কিন্তু তৈরি হওয়ার মাত্র দু’ বছরের মধ্যেই হিমঘরটি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে তালাবদ্ধ অবস্থায় দামী যন্ত্রাংশ জং ধরে নষ্ট হচ্ছে, চত্বরে গজিয়ে উঠেছে বড় গাছ। অথচ পূর্বস্থলী-২ ব্লক দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম সবজি উৎপাদন কেন্দ্র।
কালেখাঁতলা, ফলেয়া, পারুলিয়া-সহ পাঁচটি বড় পাইকারি সবজি বাজার থেকে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার সবজি বিক্রি হয়। সংরক্ষণের অভাবে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ সবজি পচে নষ্ট হয় বলে অভিযোগ চাষিদের। জোগান বাড়লেই নামমাত্র দামে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হতে হয়। চাষিরা বহুবার হিমঘর চালুর দাবি জানালেও প্রশাসনের তরফে কোনও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় জানান, বাম জমানা থেকেই সমবায়টি বন্ধ রয়েছে, বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হবে। তবে সরকারি পরিকাঠামো নষ্ট হওয়া ও চাষিদের লোকসানের দায় কার? এই প্রশ্নই এখন উঠছে।






