কথিত রয়েছে, কালাপাহাড় যখন প্রবল বিক্রমে দেশ-বিদেশে মূর্তি ধ্বংসে উদ্যত হয়েছিলেন। তখন এই মা চণ্ডী স্বয়ং কালাপাহাড়ের সঙ্গে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। যুদ্ধে তাঁর কিছু হাত কাটা পড়ে। সেজন্য এই বিগ্রহের হাত কাটা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুজারি দেবজ্যোতি গঙ্গোপাধ্যায়। পরে কালাপাহাড়কে পরাস্ত করে ডায়মন্ডহারবারের লালবাটিতে বিশ্রাম করেন তিনি।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোকা, কেমন থাকবে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া, জানুন সর্বশেষ পূর্বাভাস
এখানে মা চণ্ডী মন্দিরে থাকেন না। মন্দির নির্মাণ হলে সেই মন্দির মা স্বয়ং নষ্ট করে দেন। সেজন্য বিগ্রহকে বটের ছায়ায় রাখা হয়। স্থানীয়রা এই বিগ্রহকে খুবই জাগ্রত হিসাবে মানেন। বছরে একবার এখানে পুজো উপলক্ষে বিশাল জাগরন গানের আয়োজন করা হয়। ২০০৬ সালে শেষবার থানটিকে সংস্কার করা হয়। স্থানীয়দের বিশ্বাস এই থানে মানত করলে সব আশা পূরন হয়। সেই বিশ্বাসেই আজও এখানে পূজিত হন দেবী চন্ডী।
নবাব মল্লিক





