আরও পড়ুনঃ এবার বিধানসভা ভোটে কত কেন্দ্রীয় বাহিনী? সোমবার দিল্লিতে বৈঠক, গেলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক
কেতুগ্রাম থানার পুলিশ শনিবার সকালে গ্রাম থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়।কিন্তু কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল কর্ত্তৃপক্ষ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। নির্মাণ শ্রমিক নীলকন্ঠ মাঝি বছর ছয়েক আগে বীরভূমের নানুরের শ্রীপল্লির গদাধর মাঝির মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়। পাঁচবছরের একটি পুত্র সন্তান আছে। পরিবার সূত্রে জানা যায় বিয়ের কয়েক বছর পর থেকে নীলকন্ঠের সঙ্গে বিউটির অশান্তি লেগেই থাকত।শ্বশুর গদাইয়ের ব্যবস্থতায় নীলকন্ঠ কলকাতায় স্ত্রীকে নিয়ে সংসার পেতেছিল। দাম্পত্য কলহের জেরে মাস খানেক আগে ছেলেকে নিয়ে নীলকন্ঠ কেতুগ্রামের বাড়িতে চলে আসে।
advertisement
শুক্রবার বিউটিকে কীর্ণাহার থেকে নীলকন্ঠ নিজের বাড়িতে নিয়ে আসে। শনিবার সকালে বিউটি ঘুম থেকে উঠছে না দেখে মৃত্যুর ঘটনা জানাজানি হয়। প্রতিবেশীর কাছ থেকে মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে বিউটির বাবা কেতুগ্রাম এসে দেখে বিছানায় মেয়ের নিথর দেহ পড়ে আছে। জামাই সহ শ্বশুর বাড়ির সকল সদস্যের নামে কেতুগ্রাম থানায় খুনের মামলা দায়ের করে বিউটির বাবা গদাধর মাঝি। কেতুগ্রাম পুলিশ শ্বশুর ও শাশুড়িকে শনিবার সকালের দিকে প্রথমে আটক করে পরে গ্রেপ্তার করে। জামাই নীলকন্ঠ সহ পরিবারের বাকি অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছে।কেতুগ্রাম পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে।
