ঠান্ডায় বেরোলে সাপের শরীরে কী হয়? শীতে ২৪ ঘণ্টা সাপেরা কী করে? জানলে শিউরে উঠবেন!
১০ ডিগ্রিতে নামল পারদ! কলকাতায় এই প্রথম কি এত ঠান্ডা? এখনও ‘সর্বনিম্ন’ রেকর্ড নয়, বলছে আবহাওয়া দফতর
জেলা বন আধিকারিক সঞ্চিতা শর্মা জানান, গত বছর এই পাখিরালয়ে প্রায় ১১ হাজারের কাছাকাছি পাখি এসেছিল। তবে চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত যে হিসেব পাওয়া যাচ্ছে, তাতে পাখির সংখ্যা পাঁচ হাজারের আশপাশে হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। যদিও সম্পূর্ণ পাখি গণনার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সংখ্যা জানানো সম্ভব নয় বলেও স্পষ্ট করে দেন তিনি।
advertisement
কেন এত সংখ্যায় পাখি কমছে? এই প্রশ্নের উত্তরে জেলা বন আধিকারিক বলেন, এর সঠিক কারণ এই মুহূর্তে স্পষ্ট নয়। তবে পাখিরা অন্য কোনও নিরাপদ এলাকায় সরে যাচ্ছে কি না, সেটিও একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে বলে তাঁর মত।এদিন তিনি চুপি পাখিরালয়ে আগত পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে আবেদন জানান, কোনওভাবেই যেন পাখিদের বিরক্ত করা না হয়। বিশেষ করে জোরে গান বা বক্স বাজানো, অতিরিক্ত শব্দ করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন তিনি।অন্যদিকে, স্থানীয় মাঝিদের দাবি, শুধু শব্দ দূষণ নয়, আরও একাধিক কারণ পাখির সংখ্যা কমে যাওয়ার জন্য দায়ী হতে পারে। তাঁদের অভিযোগ, রাতে লাইটের আলো জ্বালিয়ে মাছ ধরা, জোরে বক্স বাজানো এবং জলাশয়ে কচুরিপানার অত্যধিক বিস্তার, এই সবই পাখিদের জন্য বিরক্তিকর হয়ে উঠছে, যার ফলে তারা অন্যত্র সরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। মাঝিদের দাবী প্রশাসনের তরফে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এ দিনের পাখি গণনার কাজে উপস্থিত ছিলেন জেলা বন আধিকারিক সঞ্চিতা শর্মা, কাটোয়া ও কালনা রেঞ্জের বন আধিকারিক শিবপ্রসাদ সিনহা সহ বন দফতরের কর্মীরা।সব মিলিয়ে, চুপি পাখিরালায় পরিযায়ী পাখির সংখ্যা হ্রাস পাওয়ার বিষয়টি নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে পরিবেশপ্রেমী সহ পর্যটকদের মধ্যেও।