ঠান্ডায় বেরোলে সাপের শরীরে কী হয়? শীতে ২৪ ঘণ্টা সাপেরা কী করে? জানলে শিউরে উঠবেন!

Last Updated:
শীতে সাপ খুব কমই চোখে পড়ে কেন? তারা দিনে ঘুমোয় না রাতে? উত্তর জানলে অবাক হবেন।
1/9
গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালেই সাধারণত সাপের উপদ্রব বেশি দেখা যায়। এই সময়ে বিষধর সাপ নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়। কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যায়, শীত পড়তেই সাপ যেন হঠাৎ উধাও হয়ে যায়। কোথায় যায় তারা? আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কেন তাদের আচরণ বদলে যায়—এই প্রশ্ন ঘোরে অনেকের মনেই। (রিপোর্ট: বন্দনা রেওয়াঞ্চল তিওয়ারি/রেওয়া)
গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালেই সাধারণত সাপের উপদ্রব বেশি দেখা যায়। এই সময়ে বিষধর সাপ নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়। কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যায়, শীত পড়তেই সাপ যেন হঠাৎ উধাও হয়ে যায়। কোথায় যায় তারা? আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কেন তাদের আচরণ বদলে যায়—এই প্রশ্ন ঘোরে অনেকের মনেই। (রিপোর্ট: বন্দনা রেওয়াঞ্চল তিওয়ারি/রেওয়া)
advertisement
2/9
সাপের রহস্যময় জীবন নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। তারা দিনে কী করে, কখন ঘুমোয়, ঠান্ডায় তাদের শরীর কীভাবে সাড়া দেয়—এই সব প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে। মানুষের মতো সাপও বিশ্রাম নেয়, তবে তাদের ঘুম ও সক্রিয়তার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা।
সাপের রহস্যময় জীবন নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। তারা দিনে কী করে, কখন ঘুমোয়, ঠান্ডায় তাদের শরীর কীভাবে সাড়া দেয়—এই সব প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে। মানুষের মতো সাপও বিশ্রাম নেয়, তবে তাদের ঘুম ও সক্রিয়তার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা।
advertisement
3/9
রেওয়ার ভেটেরিনারি হাসপাতালের অধ্যাপক ও প্রধান চিকিৎসক ডা. এ কে মিশ্র লোকাল ১৮-কে জানিয়েছেন, সাপ শীতল রক্তের প্রাণী। ঠান্ডা পড়লে তাদের শরীরের রক্ত কার্যত জমে যায়, যার ফলে চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকি ক্ষুধা পেলেও তারা খাবার খেতে পারে না। এই অবস্থাটি সাপের শরীরের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টদায়ক।
রেওয়ার ভেটেরিনারি হাসপাতালের অধ্যাপক ও প্রধান চিকিৎসক ডা. এ কে মিশ্র লোকাল ১৮-কে জানিয়েছেন, সাপ শীতল রক্তের প্রাণী। ঠান্ডা পড়লে তাদের শরীরের রক্ত কার্যত জমে যায়, যার ফলে চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকি ক্ষুধা পেলেও তারা খাবার খেতে পারে না। এই অবস্থাটি সাপের শরীরের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টদায়ক।
advertisement
4/9
এই কারণেই শীতকালে সাপের আচরণে আগ্রাসন দেখা যায়। রোদ উঠলে তারা ঠান্ডা জল পান করে, যা তাদের শরীরে এক ধরনের অবশভাব তৈরি করে। এরপর সাপ উষ্ণ কোনও জায়গায় দীর্ঘ সময় নিশ্চল হয়ে পড়ে থাকে। তবে এই সময়ে যদি কেউ অসাবধানতাবশত সাপের ওপর পা দিয়ে ফেলে, তাহলে একবারের কামড়েই সাপ তার সমস্ত বিষ ঢেলে দিতে পারে।
এই কারণেই শীতকালে সাপের আচরণে আগ্রাসন দেখা যায়। রোদ উঠলে তারা ঠান্ডা জল পান করে, যা তাদের শরীরে এক ধরনের অবশভাব তৈরি করে। এরপর সাপ উষ্ণ কোনও জায়গায় দীর্ঘ সময় নিশ্চল হয়ে পড়ে থাকে। তবে এই সময়ে যদি কেউ অসাবধানতাবশত সাপের ওপর পা দিয়ে ফেলে, তাহলে একবারের কামড়েই সাপ তার সমস্ত বিষ ঢেলে দিতে পারে।
advertisement
5/9
আসলে ঠান্ডায় সাপের বিপাকক্রিয়া মারাত্মকভাবে ধীর হয়ে যায়। বিপাকক্রিয়া কমে যাওয়ার অর্থ হল শরীরে শক্তি উৎপাদনও কম হয়। ফলে তারা দ্রুত চলতে বা সহজে শিকার ধরতে পারে না। তাই নিরাপদ কোনও আশ্রয়ে লুকিয়ে পড়ে বিশ্রাম নেওয়াই তাদের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
আসলে ঠান্ডায় সাপের বিপাকক্রিয়া মারাত্মকভাবে ধীর হয়ে যায়। বিপাকক্রিয়া কমে যাওয়ার অর্থ হল শরীরে শক্তি উৎপাদনও কম হয়। ফলে তারা দ্রুত চলতে বা সহজে শিকার ধরতে পারে না। তাই নিরাপদ কোনও আশ্রয়ে লুকিয়ে পড়ে বিশ্রাম নেওয়াই তাদের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
advertisement
6/9
সাধারণ দিনেও সাপ দীর্ঘ সময় ঘুমিয়ে থাকে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গড়ে প্রায় ১৬ ঘণ্টা তারা বিশ্রামে থাকে। বিষয়টি শুনতে অবাক লাগলেও, তাদের শারীরিক গঠন ও জীবনযাত্রার নিরিখে এটি স্বাভাবিক। কম শক্তিতে চলা এই প্রাণীদের জন্য দীর্ঘ বিশ্রাম অত্যন্ত জরুরি।
সাধারণ দিনেও সাপ দীর্ঘ সময় ঘুমিয়ে থাকে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গড়ে প্রায় ১৬ ঘণ্টা তারা বিশ্রামে থাকে। বিষয়টি শুনতে অবাক লাগলেও, তাদের শারীরিক গঠন ও জীবনযাত্রার নিরিখে এটি স্বাভাবিক। কম শক্তিতে চলা এই প্রাণীদের জন্য দীর্ঘ বিশ্রাম অত্যন্ত জরুরি।
advertisement
7/9
এই অবস্থাকেই বলা হয় ‘হাইবারনেশন’। ভালুকসহ অন্যান্য অনেক প্রাণীর মধ্যেও এই প্রক্রিয়া দেখা যায়। হাইবারনেশনের সময় সাপ তাদের শরীরের তাপমাত্রা পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেয় এবং খাবার ও জলের প্রয়োজন অনেকটাই কমে যায়। এই কারণেই শীতকালে সাপের দেখা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
এই অবস্থাকেই বলা হয় ‘হাইবারনেশন’। ভালুকসহ অন্যান্য অনেক প্রাণীর মধ্যেও এই প্রক্রিয়া দেখা যায়। হাইবারনেশনের সময় সাপ তাদের শরীরের তাপমাত্রা পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেয় এবং খাবার ও জলের প্রয়োজন অনেকটাই কমে যায়। এই কারণেই শীতকালে সাপের দেখা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
advertisement
8/9
ঠান্ডা বাড়লে সাপ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে থাকে। ধানক্ষেতের ফাঁকা জমি, গর্ত, গুহা বা উষ্ণ কোনও জায়গায় তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুমিয়ে কাটায়। দিনের বেশির ভাগ সময় তারা নিষ্ক্রিয় থাকে এবং আগের শিকার থেকে সঞ্চিত শক্তির উপরেই বেঁচে থাকে।
ঠান্ডা বাড়লে সাপ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে থাকে। ধানক্ষেতের ফাঁকা জমি, গর্ত, গুহা বা উষ্ণ কোনও জায়গায় তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুমিয়ে কাটায়। দিনের বেশির ভাগ সময় তারা নিষ্ক্রিয় থাকে এবং আগের শিকার থেকে সঞ্চিত শক্তির উপরেই বেঁচে থাকে।
advertisement
9/9
শীত যত বাড়ে, সাপের আচরণ ততই বদলে যায়। তাপমাত্রা কমে গেলে তারা বাইরে বেরোনো প্রায় বন্ধ করে দেয় এবং উষ্ণ আশ্রয়ে দীর্ঘ ঘুমে চলে যায়। এই সময়ে সাপ দিনে প্রায় ২০ থেকে ২২ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে। বড় সাপ, বিশেষ করে অজগর, দিনের পর দিন প্রায় নড়াচড়া না করেই নিশ্চল অবস্থায় পড়ে থাকতে পারে।
শীত যত বাড়ে, সাপের আচরণ ততই বদলে যায়। তাপমাত্রা কমে গেলে তারা বাইরে বেরোনো প্রায় বন্ধ করে দেয় এবং উষ্ণ আশ্রয়ে দীর্ঘ ঘুমে চলে যায়। এই সময়ে সাপ দিনে প্রায় ২০ থেকে ২২ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে। বড় সাপ, বিশেষ করে অজগর, দিনের পর দিন প্রায় নড়াচড়া না করেই নিশ্চল অবস্থায় পড়ে থাকতে পারে।
advertisement
advertisement
advertisement