ছাত্রছাত্রীরা জানান, কয়েকদিন আগেই দায়িত্ব ভাগ করে পরিকল্পনা করা হয়েছিল এই মেলার। উদ্দেশ্য একটাই পাঠ্য শিক্ষার পাশাপাশি স্বনির্ভরতা ও বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা অর্জন। সেই লক্ষ্যেই তিন বছর আগে কলেজ কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে শুরু হয় খাদ্য ও বইমেলার আয়োজন, যা এ বছর তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করল।
advertisement
কলেজের অধ্যক্ষ গৌতম চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এই খাদ্য ও বইমেলা আমাদের সবার সম্মিলিত উদ্যোগ। ছাত্রছাত্রীরা যাতে আত্মনির্ভরভাবে গড়ে ওঠে, আয় ব্যয়ের হিসাব বোঝে এবং ব্যবসায়িক ধারণা লাভ করে, সেই লক্ষ্যেই এই আয়োজন। এখানে তারা হাতে কলমে শিখছে কমার্সের প্রাথমিক পাঠ।” তিনি আরও জানান, মেলার যাবতীয় খরচ ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকারা মিলেই বহন করেন। প্রতিটি বিভাগ নিজ নিজ খরচ সামলায়। খাদ্য বিক্রি থেকে যে লাভ হয়, তার একটি অংশ দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষামূলক ট্যুরের খরচে ব্যয় করা হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিভাগভিত্তিক স্টলগুলিও ছিল বৈচিত্র্যময়। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ পরিবেশন করে চিকেন স্টিক, ভূগোল বিভাগ পনির স্যাটে, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ রসমালাই এছাড়াও কোথাও ফুচকা, কোথাও পকোড়া। বইমেলায় স্থানীয় বই বিক্রেতাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়। যদিও ডিজিটাল যুগে বই বিক্রি তুলনামূলক কম, তবু বইয়ের প্রতি আগ্রহ জাগিয়ে তুলতেই এই উদ্যোগ বলে জানান অধ্যক্ষ।





