তবে, এই মিহিদানা ও সীতাভোগ বিক্রেতারা খাদ্যরসিক মানুষের কাছে এই মিষ্টান্ন পৌঁছাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। তাঁরা একটি অ্যালুমিনিয়ামের বিশাল আকারের ডেকচিতে প্রায় ২০ কেজি মিষ্টান্ন নিয়ে আসেন শহরে। আর ওই মিহিদানা ও সীতাভোগ ভর্তি ডেকচি মাথার ওপর চাপিয়ে পায়ে হেঁটে শহরের অলিগলিতে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করেন তাঁরা। মিহিদানা ও সীতাভোগ বিক্রি করতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অলিগলি পৌঁছে যান ক্রেতাদের খোঁজে।
advertisement
দুয়ারে এই মিষ্টান্নের পরিষেবা দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম হলেও মুনাফা হয় বলে দাবি বিক্রেতাদের। তবে, মিহিদানা ও সীতাভোগ বিক্রেতাদের এই ব্যবসা নতুন কিছু নয়। বহুবছর ধরেই তাঁরা মাথায় ডেকচি নিয়ে ঘুরে ঘুরে মিহিদানা বিক্রি করে আসছেন। বিক্রেতাদের দাবি, মিহিদানা ও সীতাভোগের চাহিদা থাকায় বছরের পর বছর এই জীবিকা বহন করে চলেছে তাঁরা। চাহিদা থাকায় মিষ্টি প্রেমীদের দাবি, বিখ্যাত ওই মিহিদানা ও সীতাভোগ খাবার ইচ্ছে হলেও বর্ধমান যাওয়া সম্ভব হয়না। দুয়ারের সামনে মিলছে বলেই খাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বর্ধমান জেলার শক্তিগড়ে কলকাতাগামী ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের দু\’পাশে প্রতিটি মিষ্টান্ন ভান্ডারেই মিলবে মিহিদানা ও সীতাভোগ। যাতায়াতের পথে বহু পথচারী সেখান থেকে কেনেন এই মিষ্টান্ন । বর্ধমানে না যাওয়ার কারণে বিখ্যাত মিহিদানা ও সীতাভোগের নাম শুনলেও বহু মানুষ এখনও এর স্বাদ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তবে শহরের অলিতে-গলিতে এই মিহিদানা ও সীতাভোগ বিক্রেতাদের জন্য অনেকেই তার স্বাদ পাচ্ছেন।
দীপিকা সরকার





