তিন দশকের ওপর সময় ধরে নাট্যচর্চা, অভিনয়ে লেখালেখি এবং নাটক নিয়ে অগাধ পড়াশোনা করেছেন শিবাশীষ কুন্ডু। তিনি মনে করেন বর্তমান সমাজে, প্রোমোটারের হাতে বাড়ি হারিয়ে ডিপ্রেশনে চলে যাচ্ছে একটি বড় সংখ্যক মধ্য প্রজন্মের মানুষ। যাদের ভিটে মাটির টান অনেকটা বেশি তারা যদি এই ফাঁদে পা দেন তাহলে শেষ পরিণতি হচ্ছে খুবই ভয়ঙ্কর।
advertisement
ইংরেজিতে একটা কথা আছে “অ্যাড্রেসিং দা সিচুয়েশন”! অর্থাৎ পরিস্থিতিটায় সঠিকভাবে আলোকপাত করা। তাই নিজের ভাষা অর্থাৎ নাটকের ভাষার মধ্যে দিয়ে এমন উদ্যোগ। নাটকটি মঞ্চস্থ হবে রবীন্দ্র ভবন মঞ্চে আগামী ২৫ডিসেম্বর সন্ধ্যে ছটা ৩২ মিনিটে। নাটকের নাম “আগন্তুক”। রচনা অভিনয় এবং প্রযোজনা করছেন শিবাশীষ কুন্ডু, নাট্যদল পুনশ্চ।অভিনয়ের মাধ্যমে মানুষের মনের ভেতর গেঁথে দেওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া।
যদি সঠিক ভাবা বেগে আঘাত করা যায় তাহলে, অবশ্যই মানসিক পরিবর্তন আসে দর্শকের। এটিকে কমিউনিকেশনে বলা হয়, “হাইপারডারমিক নিডেল থিওরি”! অর্থাৎ যেন একটি সূঁচে করে ত্বকের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে একটি আইডিয়া। সেই কারণে কলম ধরেছেন শিবাশীষ কুন্ডু এবং স্টেজ মাতিয়ে তুলতে জোর কদমে রিহার্সাল করছে নাট্যদল পুনশ্চ! আসছে আগন্তুক।
নীলাঞ্জন ব্যানার্জী





