সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে অভিনব পথ বেছে নিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। হাতিয়ার হয়েছে ব্যাট আর বল। শুক্রবার জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে সহ একাধিক পুলিশ আধিকারিক পটাশপুর ২ ব্লকের মঙ্গলপুর সেলিব্রেশন গার্ডেন মাঠে পৌঁছে যান। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে একটি প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন করা হয়। পুলিশ ও সাধারণ মানুষ একসঙ্গে খেলেন। উপস্থিত ছিলেন এলাকার প্রবীণ মানুষ থেকে শুরু করে যুব সমাজ এবং শিশুদের বড় অংশ। খেলার মাধ্যমে এক অন্যরকম বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ দোলে সোনাঝুরিতে আবির খেলা নিষিদ্ধ! বসন্ত উৎসবের আগেই বড় খবর, শান্তিনিকেতন যাওয়ার প্ল্যান থাকলে জানুন
মূল স্লোগান ছিল, ‘চলো লড়ি কিন্তু খেলার মাঠে’। জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার বলেন, রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে। গণতন্ত্রে মতের পার্থক্য স্বাভাবিক। কিন্তু সেই মতভেদ যেন কখনও হিংসায় পরিণত না হয়। সংঘর্ষ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ মানুষ। বড় বড় নেতা বা প্রশাসনিক আধিকারিকরা এক সময় চলে যান। কিন্তু এলাকার মানুষকেই দীর্ঘদিন ভোগান্তি সহ্য করতে হয়। তাই অশান্তি ভুলে সবাইকে মিলেমিশে থাকার আহ্বান জানাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শুধু ক্রিকেট ম্যাচেই সীমাবদ্ধ থাকেনি জেলা পুলিশের এই উদ্যোগ। পুলিশের পক্ষ থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতার নজিরও তুলে ধরা হয়। এলাকার দুঃস্থ মহিলাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় শাড়ি। ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া হয় স্কুলব্যাগ ও পড়াশোনার সামগ্রী। শিশুদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। পুলিশ সুপার নিজেই কচিকাঁচাদের খাবার পরিবেশন করেন। এই দৃশ্য উপস্থিত সকলে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশের এমন উদ্যোগ মানুষের সঙ্গে দূরত্ব কমাবে। ভোটের আগে শান্তি বজায় রাখতে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকরী বলে মনে করছেন তাঁরা।





