advertisement

Birbhum News: দোলে সোনাঝুরিতে আবির খেলা নিষিদ্ধ! বসন্ত উৎসবের আগেই বড় খবর, শান্তিনিকেতন যাওয়ার প্ল্যান থাকলে জানুন

Last Updated:
Birbhum News: বসন্ত উৎসবের সময় বীরভূমে উপচে পড়ে পর্যটকদের ভিড়। সোনাঝুরিতে আবির ও রং খেলায় মেতে ওঠেন অনেকে। তবে এবার সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন তাঁরা।
1/5
হাতেগোনা কয়েকদিন পরেই বসন্ত উৎসব। বোলপুর শান্তিনিকেতনে পালিত উৎসবগুলির মধ্যে অন্যতম এটি। বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও দোলের দিন বসন্ত উৎসব পালন করবে না বিশ্বভারতী। তার পরিবর্তে ৬ মার্চ বিশ্বভারতী নিজেদের মধ্যে বসন্ত উৎসব পালন করবে। সেখানে বহিরাগতদের প্রবেশের অনুমতি নেই। তবে এবার সোনাঝুরিতে আবির ও রং খেলার আনন্দ থেকেও বঞ্চিত হতে পারেন পর্যটকেরা। (ছবি ও তথ্যঃ সৌভিক রায়)
হাতেগোনা কয়েকদিন পরেই বসন্ত উৎসব। বোলপুর শান্তিনিকেতনে পালিত উৎসবগুলির মধ্যে অন্যতম এটি। বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও দোলের দিন বসন্ত উৎসব পালন করবে না বিশ্বভারতী। তার পরিবর্তে ৬ মার্চ বিশ্বভারতী নিজেদের মধ্যে বসন্ত উৎসব পালন করবে। সেখানে বহিরাগতদের প্রবেশের অনুমতি নেই। তবে এবার সোনাঝুরিতে আবির ও রং খেলার আনন্দ থেকেও বঞ্চিত হতে পারেন পর্যটকেরা। (ছবি ও তথ্যঃ সৌভিক রায়)
advertisement
2/5
সোনাঝুরির জঙ্গলের পরিবেশ ধ্বংস করে যাতে কোনওভাবেই দোলের দিন সেখানে আবির বা রং খেলা না হয়- সেই মর্মে বীরভূম জেলাশাসকের কাছে চিঠি দিলেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত। এরপরেও যদি দোলের দিন সোনাঝুরি জঙ্গলে মানুষের ভিড় ও রং খেলা হয়, তাহলে সেই ছবি তিনি জাতীয় পরিবেশ আদালতে পাঠাবেন বলে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সোনাঝুরির জঙ্গলের পরিবেশ ধ্বংস করে যাতে কোনওভাবেই দোলের দিন সেখানে আবির বা রং খেলা না হয়- সেই মর্মে বীরভূম জেলাশাসকের কাছে চিঠি দিলেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত। এরপরেও যদি দোলের দিন সোনাঝুরি জঙ্গলে মানুষের ভিড় ও রং খেলা হয়, তাহলে সেই ছবি তিনি জাতীয় পরিবেশ আদালতে পাঠাবেন বলে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
advertisement
3/5
প্রসঙ্গত সোনাঝুরি জঙ্গলের খোয়াই হাট সম্পূর্ণ বেআইনি। এই মর্মে আগে থেকেই জাতীয় পরিবেশ আদালতে মামলা চলছে। সেই আবহে ৩ মার্চ দোলের দিন প্রতিবারের মতো জঙ্গল ধ্বংস করে বিশাল জমায়েত করে যাতে আবির-রং খেলা না হয়, সেই দাবিতে প্রশাসনকে সজাগ থাকার আবেদন করলেন পরিবেশকর্মী। কারণ বিগত কয়েক বছর ধরে বিশ্বভারতীর বসন্ত উৎসবে বহিরাগতদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।
প্রসঙ্গত সোনাঝুরি জঙ্গলের খোয়াই হাট সম্পূর্ণ বেআইনি। এই মর্মে আগে থেকেই জাতীয় পরিবেশ আদালতে মামলা চলছে। সেই আবহে ৩ মার্চ দোলের দিন প্রতিবারের মতো জঙ্গল ধ্বংস করে বিশাল জমায়েত করে যাতে আবির-রং খেলা না হয়, সেই দাবিতে প্রশাসনকে সজাগ থাকার আবেদন করলেন পরিবেশকর্মী। কারণ বিগত কয়েক বছর ধরে বিশ্বভারতীর বসন্ত উৎসবে বহিরাগতদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।
advertisement
4/5
ফলে কার্যত 'দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর' জন্য সোনাঝুরি জঙ্গলে দোল আবির খেলায় মেতে ওঠেন পর্যটকেরা। এর ফলে সেখানকার বিভিন্ন গাছে আবির ও বিভিন্ন রং লেগে জঙ্গলের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, এমনটাই দাবি করেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত। তিনি জানান,
ফলে কার্যত 'দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর' জন্য সোনাঝুরি জঙ্গলে দোল আবির খেলায় মেতে ওঠেন পর্যটকেরা। এর ফলে সেখানকার বিভিন্ন গাছে আবির ও বিভিন্ন রং লেগে জঙ্গলের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, এমনটাই দাবি করেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত। তিনি জানান, "আমি বীরভূম জেলাশাসকের কাছে ইমেল মারফত চিঠি পাঠিয়েছে। দোলের দিন যাতে সোনাঝুরি জঙ্গলে নন ফরেস্ট অ্যাক্টিভিটি না হয়, সেই আবেদন করেছি।"
advertisement
5/5
উল্লেখ্য, ২০০০ সালে নিছক কয়েকজন স্থানীয় আদিবাসী শিল্পীদের শিল্পকর্ম নিয়ে শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি জঙ্গলে একটি হাট বসিয়েছিলেন আশ্রমিক শ্যামলী খাস্তগীর। তখন হস্তশিল্পীদের শিল্পকর্ম তুলে ধরতে সপ্তাহে মাত্র একদিন, শনিবার এই হাট বসত। এখনকার মতো এত পরিমাণ পর্যটকদের আনাগোনাও ছিল না। তখন যেহেতু সপ্তাহে একদিন অর্থাৎ শনিবার এই হাট বসত সেই কারণে নাম ছিল 'শনিবারের হাট'। এখন এই হাটের নাম দেওয়া হয়েছে 'খোয়াই হাট'। (ছবি ও তথ্যঃ সৌভিক রায়)
উল্লেখ্য, ২০০০ সালে নিছক কয়েকজন স্থানীয় আদিবাসী শিল্পীদের শিল্পকর্ম নিয়ে শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি জঙ্গলে একটি হাট বসিয়েছিলেন আশ্রমিক শ্যামলী খাস্তগীর। তখন হস্তশিল্পীদের শিল্পকর্ম তুলে ধরতে সপ্তাহে মাত্র একদিন, শনিবার এই হাট বসত। এখনকার মতো এত পরিমাণ পর্যটকদের আনাগোনাও ছিল না। তখন যেহেতু সপ্তাহে একদিন অর্থাৎ শনিবার এই হাট বসত সেই কারণে নাম ছিল 'শনিবারের হাট'। এখন এই হাটের নাম দেওয়া হয়েছে 'খোয়াই হাট'। (ছবি ও তথ্যঃ সৌভিক রায়)
advertisement
advertisement
advertisement