আরও পড়ুনঃ ২৬-এ শেষ সব! রিঙ্কু-পুত্রের ছেলের মৃত্যুর কারণ হেমরেজিক প্যানক্রিয়াটাইটিস! কী এই অসুখ?
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী বিগত কয়েকদিন ধরে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতে মাঝেমধ্যেই ধেয়ে আসছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। গতকাল রাত থেকেই বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয় জলপাইগুড়ি সহ উত্তরের বিভিন্ন এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,আজ সকালবেলায় এলাকার প্রভাত রায় ঢেঁড়স তুলতে মাঠে গিয়েছিলেন স্ত্রী ও মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে। ঢেঁড়স চাষ করে বাজারে বিক্রি করাই ছিল তাঁদের রোজকার কাজ, সংসার চলত তা দিয়েই। সেই মতো এদিনও ক্ষেতে ঢেঁড়স তুলছিলেন তাঁরা। আচমকাই ফের শুরু হয় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি। সেই সময়েই ঘটে বিপত্তি—তাদের ওপর বজ্রপাত হয়। কয়েক সেকেন্ডের বজ্রাঘাতে তিনজনই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ হঠাৎ আবার কী হল! ২১ পাকিস্তানি নিয়ে ওড়িশার পারাদ্বীপ বন্দরে জাহাজ! তড়িঘড়ি যা করা হল…
তড়িঘড়ি স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা প্রভাত রায়কে মৃত বলে ঘোষণা করেন।অন্যদিকে, প্রভাতবাবুর স্ত্রী বাসন্তী রায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কন্যার অবস্থাও নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এদিনের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা ময়নাতলি এলাকায়। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এক নিমেষে বদলে দিল একটি পরিবারকে।
সুরজিৎ দে






